পোষ্য হেনরির কাস্টডি চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে গিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। আদালত এই মামলায় জয় অনন্ত দেহাদ্রাইকে নোটিস পাঠিয়েছে।

মহুয়া মৈত্র
শেষ আপডেট: 19 February 2026 20:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পোষ্য ‘হেনরি’কে (Rottweiler Henry) ফেরত পেতে এবার দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল (TMC) সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। সোমবার হাইকোর্ট মামলার বিবাদীপক্ষ অ্যাডভোকেট জয় অনন্ত দেহাদ্রাইকে (Jai Anant Dehadrai) নোটিস পাঠাল। বিচারপতি মনোজ কুমার ওহরি (Justice Manoj Kumar Ohri) দেহাদ্রাইয়ের কাছ থেকে জবাব চেয়ে ২৯ এপ্রিল শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
সাকেত আদালতের আদেশকে ভুল বলছেন মহুয়া
মহুয়ার আবেদনে জানানো হয়েছে, তিনি চেয়েছিলেন, মাসে অন্তত ১০ দিন পোষ্য হেনরিকে নিজের কাছে রাখার অধিকার। কিন্তু ১০ নভেম্বর ২০২৫-এ সাকেত আদালত (Saket Court) তাঁর দাবি খারিজ করে দেয়। অভিযোগ, আদেশটি আইনগত ও তথ্যগত— দুই দিক থেকেই ভুল। হেনরি মূলত তাঁর সঙ্গেই থাকত। সংসদীয় কাজে দিল্লির বাইরে গেলে কেবল কয়েক দিন দেহাদ্রাইয়ের কাছে রাখা হত।
আদালতেই চলছে বহুদিনের কাড়াকাড়ি
এই রটওয়েলারের হেফাজত নিয়ে টানাপোড়েন নতুন নয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে দেহাদ্রাই যে মামলা করেছিলেন, সেই মামলা সংক্রান্ত একটি গ্যাগ-অর্ডার নিয়ে হাইকোর্ট তখন নোটিস পাঠিয়েছিল মহুয়াকেই। সেই মামলাটি এখনও ঝুলে রয়েছে সাকেত আদালতে। নতুন পিটিশনে আরও বলা হয়েছে, দেহাদ্রাই ২০২১ সালে হেনরিকে কিনেছিলেন। পরে মহুয়া হেফাজত চেয়ে মামলা করেন। তারপর থেকেই শুরু হয় আইনি লড়াই।
দেহাদ্রাইয়ের দাবি, শুরুতেই খারিজ হোক পিটিশন
হাইকোর্টে হাজির হয়ে দেহাদ্রাই আবেদন করেছেন—মহুয়ার পিটিশন যেন শুরুতেই খারিজ (in limine) করা হয়। আদালত আপাতত নোটিস জারি করে তাঁর জবাব চেয়েছে।
পোষ্যকে ঘিরে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন যে বড় আইনি লড়াইয়ের রূপ নিয়েছে—এটাই স্পষ্ট। এখন নজর ২৯ এপ্রিলের দিকে। সেদিনই ঠিক হবে—হেনরি কার কাছে থাকবে, নাকি লড়াই আরও দীর্ঘ হবে।