Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়

দিল্লির বাতাসকে রাতারাতি পরিষ্কার করার মতো কোনও জাদুকাঠি আমাদের হাতে নেই: সুপ্রিম কোর্ট

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (CJI Surya Kanta) এবং বিচারপতি জয়মালা বাগচির ডিভিশন বেঞ্চের সামনে দূষণ রোধের জন্য জরুরি শুনানির আবেদন আসে। 

দিল্লির বাতাসকে রাতারাতি পরিষ্কার করার মতো কোনও জাদুকাঠি আমাদের হাতে নেই: সুপ্রিম কোর্ট

ফাইল ছবি

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 27 November 2025 16:02

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি-এনসিআর (Delhi NCR) জুড়ে শ্বাসরুদ্ধকর দূষণ পরিস্থিতি নিয়ে ফের কড়া বার্তা শীর্ষ আদালতের। বৃহস্পতিবার এক শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) স্পষ্ট জানিয়ে দিল, “দিল্লির বাতাসকে রাতারাতি পরিষ্কার করার মতো কোনও জাদুকাঠি আদালতের হাতে নেই (Delhi Pollution)।”

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (CJI Surya Kanta) এবং বিচারপতি জয়মালা বাগচির ডিভিশন বেঞ্চের সামনে দূষণ রোধের জন্য জরুরি শুনানির আবেদন আসে। আদালত-নিযুক্ত আইনজীবী সিনিয়র অ্যাডভোকেট অপরাজিতা সিংহ বিষয়টি অবিলম্বে শুনানির অনুরোধ জানালে বেঞ্চ মন্তব্য করে, “আমরাও তো দিল্লি-এনসিআরের বাসিন্দা। আমরাও এই বিষাক্ত বাতাসে নিশ্বাস নিই। কিন্তু একমাত্র কোনও কারণকে দোষ দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না।”

এরপরই আদালতের বার্তা, “আদালত কোনও জাদুকাঠি দেখিয়ে মুহূর্তে দূষণ সরিয়ে দিতে পারে না। এমন কোনও নির্দেশ দিন, যাতে সঙ্গে সঙ্গে দিল্লির বাতাস পরিষ্কার হয়ে যায়— তা কি সম্ভব?”

অপরাজিতা সিংহ যুক্তি দেন, প্রতি বছরই দূষণের পরিস্থিতি স্বাস্থ্য-জরুরি অবস্থার মতো হয়ে দাঁড়ায়। কাগজে অনেকে সমাধান দেন, কিন্তু মাটিতে সেই প্রয়াস নেই বললেই চলে। বেঞ্চ বিষয়টি নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে বলে, 
“বছরভর এই আলোচনা কোথায় থাকে? শীত পড়লেই আবার দূষণের কথা মনে পড়ে। তারপর গরম এলেই ফাইলগুলো হারিয়ে যায়।”

শীর্ষ আদালত এ-ও জানায়, এবার আর মরশুম ভিত্তিক আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকা হবে না। নিয়মিত নজরদারি চালাবে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, “এই মামলা ১ ডিসেম্বর, সোমবার তালিকাভুক্ত করা হোক। নিয়মিত শুনানি হবে। দেখি, কী করা যায়।”

প্রতি বছর শীত পড়লেই এই দশা হয় দিল্লির। এর জন্য মূলত দায়ী করা হয়, রাজধানীর আশপাশের অঞ্চলে (মূলত পঞ্জাব ও হরিয়ানা) শস্যগোড়া পোড়ানোকে। কিন্তু পৃথিবী বিজ্ঞান মন্ত্রকের ‘ডিসিশন সাপোর্ট সিস্টেম’ (ডিএসএস)-র সমীক্ষা বলছে, দিল্লি-দূষণের আরও কারণ রয়েছে। পরিবহণ থেকে ১৯.৭ শতাংশ দূষণ হয়। আবাসন থেকে দূষিত বাতাস নির্গমন ৪.৮ শতাংশ। আনুষঙ্গিক শিল্প এলাকা থেকে ৩.৭ শতাংশ দূষণ। নির্মাণকাজ থেকে ২.৯ শতাংশ ধুলোবালি ছড়ায়। কিন্তু সবচেয়ে চিন্তার ৩৪.৮ শতাংশ দূষণের কারণ ও উৎস এখনও অজানা। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, দূষণের উৎস জানা না গেলে, তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। 


```