Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
স্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়

ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী আইআইটি বম্বের পড়ুয়া, উস্কে দিল খড়গপুর ও নয়ডার ঘটনা

এই তিনটি মৃত্যুই ফের প্রশ্ন তুলে দিল দেশের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে আছে।

ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী আইআইটি বম্বের পড়ুয়া, উস্কে দিল খড়গপুর ও নয়ডার ঘটনা

প্রতীকী ছবি

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 2 August 2025 12:53

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার গভীর রাতে আত্মহত্যা করলেন আইআইটি বম্বের চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্র। ছাদ থেকে ঝাঁপ দেন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম রোহিত সিনহা। বয়স ২৬। মেটা সায়েন্স বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি। বাড়ি দিল্লিতে। শনিবার রাত আড়াইটে নাগাদ আইআইটি বম্বের হস্টেলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই  স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

পওয়াই থানার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনার সময় হস্টেলের ছাদে আরেক পড়ুয়া ফোনে কথা বলছিলেন। তাঁর সামনেই ঝাঁপ দেন রোহিত। পওয়াই থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত চলছে।

আইআইটি খড়গপুরেও সম্প্রতি ঘটেছে অনুরূপ ঘটনা। জুলাইয়ের ১৮ তারিখে খাওয়ার পর নিজের ঘরে বিশ্রাম নিতে গিয়েছিলেন চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ঋতম মণ্ডল। কিন্তু পরদিন সকালে বার বার দরজায় কড়া নাড়লেও কোনও সাড়া মেলেনি। শেষে কলেজের নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে পুলিশ। দেখা যায়, ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে ঋতমের দেহ।

কলেজ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সূত্রে খবর, নিজের ঘরে আত্মঘাতী হন ঋতম। তাঁর সহপাঠীরা জানিয়েছেন, আগের দিন তিনি স্বাভাবিক ছিলেন। মৃত্যুর আগে কোনও অস্বাভাবিক আচরণও লক্ষ্য করা যায়নি।

তবে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে গ্রেটার নয়ডার শারদা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায়। শনিবার রাতে হস্টেলের ঘরে আত্মঘাতী হন দ্বিতীয় বর্ষের এক ডেন্টাল ছাত্রী। ওই ঘর থেকেই একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। যেখানে এক মহিলা এবং এক পুরুষ অধ্যাপকের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

জানা গিয়েছে, পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। ঘটনার খবর পৌঁছতেই ছাত্রীটির পরিবার হস্টেলে পৌঁছয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন অন্যান্য পড়ুয়ারা। রাতেই হস্টেল চত্বরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে।

এক ছাত্রী বলেন, 'কত দিন এমন চলবে? আমরা পড়তে এসে মার খাচ্ছি, মানসিক অত্যাচার সহ্য করছি, কেউ শুনছে না। রোজ আতঙ্কে থাকতে হয়। মৃত্যু না হলে কোনও ব্যবস্থা হয় না।'

এই তিনটি মৃত্যুই ফের প্রশ্ন তুলে দিল দেশের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে আছে।


```