পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার নাম সাক্ষী চাওলা এবং তাঁর ১০ বছরের ছেলে দক্ষ। নয়ডার একটি ফ্ল্যাটে স্বামী দর্পণ চাওলার সঙ্গে থাকতেন দু'জনে। দক্ষ দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিল এবং তার চিকিৎসা চলছিল।
.jpg.webp)
১৩ তলা থেকে ঝাঁপ মহিলার
শেষ আপডেট: 14 September 2025 12:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছেলে মানসিকভাবে অসুস্থ। দিনের পর দিন নিজের সন্তানকে এই করুণ অবস্থায় দেখে সহ্যের বাঁধ ভাঙল একজন মায়ের। অবসাদে ভুগেই শেষে সেই ছেলেকে নিয়েই ছাদ থেকে ঝাঁপ মারলেন (Greater Noida Tragedy)। মৃত্যু হয়েছে দু'জনেরই। গ্রেটার নয়ডার এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার নাম সাক্ষী চাওলা এবং তাঁর ১০ বছরের ছেলে দক্ষ। নয়ডার একটি ফ্ল্যাটে স্বামী দর্পণ চাওলার সঙ্গে থাকতেন দু'জনে। দক্ষ দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিল এবং তার চিকিৎসা চলছিল। এই পরিস্থিতি নিয়ে সাক্ষী দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক চাপে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
দর্পণ চাওলা, পেশায় সিএ, ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন। পুলিশের কাছে জানিয়েছেন, তিনি অন্য ঘরে ছিলেন। হঠাৎ একটি চিৎকার শুনতে পান। দৌড়ে বারান্দায় গিয়ে দেখেন, তাঁর স্ত্রী এবং ছেলে নীচে পড়ে আছে।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরে পুলিশ মৃতার ঘর থেকে একটি নোট উদ্ধার করে। সেই নোটে সাক্ষী তাঁর স্বামীকে উদ্দেশ করে লিখেছেন, 'আমরা এই পৃথিবী ছেড়ে যাচ্ছি...। আমরা আর তোমাকে কষ্ট দিতে চাই না। আমাদের জন্য তোমার জীবন নষ্ট হওয়া উচিত নয়। আমাদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।'
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। প্রতিবেশীরা এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকাহত। পুলিশ প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে যে মানসিক চাপে সাক্ষী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।