Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রে

বাজপেয়ীর কবিতা পড়ানো হবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি এমএ-তে, বিতর্কের জলঘোলা

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর কবিতা পড়ানো হবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ইংরেজি পাঠ্যক্রমে।

বাজপেয়ীর কবিতা পড়ানো হবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি এমএ-তে, বিতর্কের জলঘোলা

সুকবি হিসেবেও পরিচিত ছিলেন অটলবিহারী।

শেষ আপডেট: 24 May 2025 11:24

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর কবিতা পড়ানো হবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ইংরেজি পাঠ্যক্রমে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি এমএ-র স্বাধীনোত্তর ভারতীয় সাহিত্যের অন্তর্গত প্রথম সেমেস্টারের পাঠ্যক্রমে ঢুকছে কবি বাজপেয়ীর কবিতা। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকরী পরিষদের বৈঠকে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিন দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন বাজপেয়ী। শুধু বিজেপি দলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নয়, দেশের প্রখ্যাত রাজনীতিক হিসেবে নয়, হিন্দি ভাষায় সুকবি হিসেবেও পরিচিত ছিলেন অটলবিহারী। তাঁর সুরসিক-জ্বালাময়ী-যুক্তনিষ্ঠ ও আবেগনির্ভর বাগ্মিতার মতোই তাঁর হাতে ছিল ক্ষুরধার কলম। সেই কলমেই কালো লিখেছেন অসংখ্য দেশভক্তি, অন্যায়-অপশাসন বিরোধী পদ্য।

বাজপেয়ীর লেখা কদম মিলাকর চলনা হোগা, গীত নয়া গাতা হুঁ কিংবা আও মিলকে দিয়া জ্বালায়েঁ কবিতার মতো অসংখ্য পংক্তি বহু মানুষের মুখস্থ। কিন্তু, যেহেতু তিনি বিজেপির প্রতিষ্ঠাতাদের প্রধান মুখ এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী, তাই তাঁর কবিতাকে ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তর স্তরের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করাকে অনেকেই ভালচোখে মেনে নিতে পারেননি।

শিক্ষামহলের অনেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য রুদ্রাশিস চক্রবর্তী সোজাসাপ্টা বাজপেয়ীর কবিতার কাব্যমূল্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, সুদামা পান্ডের ধুমিল, সূর্যকান্ত ত্রিপাঠির নিরালা ও গুঞ্জন মাধব মুক্তিবোধ স্বাধীনোত্তর ভারতের কাব্যসাহিত্যের অনেক ভাল প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু সেসবকে ছাপিয়ে বাজপেয়ীর কবিতাকে স্থান দেওয়া হয়েছে।

রুদ্রাশিস আরও বলেন, ইংরেজির মতো স্নাতকোত্তর স্তরে বাজপেয়ীর কবিতায় রাজনৈতিক বক্তব্য ছাড়া অন্য কোনও কাব্যমূল্য নেই। আরেক সদস্য সুনীল শর্মার দাবি, এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের কোনও অধিকার নেই পাঠ্যসূচি তৈরি করার। তিনি বলেন, বৈঠকে পাঠ্যসূচির বিষয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি। ইসি শুধু অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ পাশ করিয়ে দিয়েছে। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলই হল পাঠ্যসূচির ঠিক করার এক্তিয়ারভুক্ত কর্তৃপক্ষ।

এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে একটা চিঠি দিয়েছে। শিক্ষকদের বক্তব্য, শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনীতিকরণের চেষ্টা চলছে। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্যান্ডিং কমিটি শিক্ষার চেয়ে রাজনৈতিক আদর্শবাদের বড় দারোয়ান হয়ে উঠেছে।


```