কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া। ওই দিনই জারি হবে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৫ মার্চ। ৬ মার্চ মনোনয়নপত্রের যাচাই হবে। প্রার্থীরা চাইলে ৯ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ পাবেন।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 18 February 2026 14:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) দিন ঘোষণা সময়ের অপেক্ষা। তার আগেই বড় ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। বাংলা-সহ দেশের ১০টি রাজ্যে রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে ভোটের (Rajyasabha Elections 2026) সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ ভোটগ্রহণ হবে।
কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া। ওই দিনই জারি হবে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৫ মার্চ। ৬ মার্চ মনোনয়নপত্রের যাচাই হবে। প্রার্থীরা চাইলে ৯ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ পাবেন।
১৬ মার্চ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। একই দিন বিকেল ৫টা থেকে গণনা শুরু হবে। ২০ মার্চের মধ্যেই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কমিশন।
এই নির্বাচন হচ্ছে কারণ ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭ জন রাজ্যসভার সদস্যের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তালিকা অনুযায়ী, মহারাষ্ট্রে ৭টি আসন শূন্য হবে। তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গে ৫টি করে আসনে ভোট হবে। পশ্চিমবঙ্গের একটি আসন ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে শূন্য হিসেবে গণ্য হয়েছে। ওড়িশা ও অসমে ৩টি করে, বিহারে ৪টি এবং ছত্তীসগঢ়ে ২টি আসনে নির্বাচন হবে। হরিয়ানা ও হিমাচল প্রদেশে ১টি করে এবং তেলেঙ্গানায় ২টি আসন রয়েছে।
রাজ্যসভার নির্বাচন জাতীয় রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ উচ্চকক্ষে সংখ্যার সমীকরণ গুরুত্বপূর্ণ আইন ও নীতিনির্ধারণে বড় ভূমিকা নেয়। ফলে মার্চের এই ভোট সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলায় এ বার বিশেষ নজর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্বে। দল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া মৌসম বেনজির নূর (Mausam Benazir Noor) ইতিমধ্যেই রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এছাড়া তৃণমূলের তরফে উচ্চকক্ষে থাকা সাখেত গোখলে (Saket Gokhale), ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) এবং সুব্রত বক্সির (Subrata Bakshi) মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিল।
বর্তমান বিধানসভায় আসনসংখ্যার নিরিখে রাজ্যসভায় পাঁচটির মধ্যে চারটি আসনে তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল বলেই রাজনৈতিক মহলের অনুমান। বিধানসভা নির্বাচনের আবহে রাজ্যসভার এই ভোট বাংলার রাজনীতিতে আলাদা মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।