ভিডিওতে দেখা যায়, নারকেল ভাঙার সময় তাঁর গতি ও শক্তি দেখে উপস্থিত সকলে বিস্মিত। যদিও শেষের দিকে দু'টি নারকেল ভাঙতে ব্যর্থ হন তিনি।

নারকেল ভাঙার মুহূর্তের ছবি (সংগৃহীত)
শেষ আপডেট: 15 May 2025 17:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক হাতে নারকেল ভাঙা খানিকটা শিল্প। সহজে সবাই পারে না। কখনও অনেকগুলো টুকরো হয়ে যায় আবার কখনও হয়ই না। কিন্তু জার্মানিতে বসবাসকারী মোহামেদ কাহরিমানোভিচের কাছে এটা মিনিট খানেকের ব্যাপার। শুধু তাই নয়, চোখ বেঁধেও তিনি একের পর এক নারকেল ভেঙে যেতে পারেন। আর এই ট্যালেন্টের জন্যই তাঁকে স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তরফে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, টেবিলের দু'পাশে সারি দিয়ে রাখা নারকেলগুলিকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ভেঙে চলেছেন মোহামেদ। সময় নেন মাত্র এক মিনিট। এই অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ৪৮টি নারকেল এক হাতে ভেঙে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, নারকেল ভাঙার সময় তাঁর গতি ও শক্তি দেখে উপস্থিত সকলে বিস্মিত। যদিও শেষের দিকে দু'টি নারকেল ভাঙতে ব্যর্থ হন তিনি। টাইমার শেষ হওয়ার পর মোহামেদ চোখের কাপড় খুলে হাসিমুখে এই আনন্দ ভাগ করে নেন সকলের সঙ্গে। ইনস্টাগ্রাম ক্যাপশনে লেখা হয়— 'মোস্ট কোকোনাট স্ম্যাশড উইথ ওয়ান হ্যান্ড ইন ওয়ান মিনিট।'
তবে এই প্রথম নয়, মোহামেদ ২০২২ সালে মাত্র এক মিনিটে ১৪৮টি নারকেল ভেঙেছিলেন। তারপর থেকে তিনি ‘হ্যামার হ্যান্ডস’ নামেই বেশি পরিচিত।
বসনিয়া হার্জেগোভিনা-র বাসিন্দা এই প্রবীণ মার্শাল আর্টিস্ট আরও কিছু উল্লেখযোগ্য রেকর্ডের অধিকারী। যেমন, এক মিনিটে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পানীয়র ক্যান হাত দিয়ে চেপে ভেঙে ফেলা। ডিম হাতে নিয়ে ৩০ সেকেন্ডে সর্বোচ্চ সংখ্যক নারকেল ভাঙার মতো দুঃসাধ্য কীর্তিও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে।
নারকেল ভাঙা সংক্রান্ত আরও কিছু রেকর্ডের কথা বললে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের কর্নাটকের কেভি সইদালাভি মাথায় রাখা নারকেল নানচাকু দিয়ে ভাঙেন। এক মিনিটে ৬৮টি নারকেল ভেঙে রেকর্ড করেন। তিনি নিজেই নিজের পুরনো ৪২ নারকেল ভাঙার রেকর্ড ভেঙে দেন।
অন্যদিকে, ভারতের ‘বীর খালসা’ নামের একটি দল এক মিনিটে বেসবল ব্যাট দিয়ে মাথায় রাখা ৮৫টি নারকেল ভেঙে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তোলে।
নারকেল দিয়ে এমন নজির গড়ার ঘটনা যতই অদ্ভুত শোনাক, বিশ্বজুড়ে নানা কায়দায় এই ফল ভেঙে দাপট দেখাচ্ছেন একাধিক মানুষ। আর সেই তালিকায় সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম এখন নিঃসন্দেহে মোহামেদ কাহরিমানোভিচ।