গোয়ার ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরই ওড়িশা ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিসেস (OFES) রাজ্যের সমস্ত রেস্তরাঁ, বার ও ১০০ জনের বেশি আসনসংখ্যা-যুক্ত স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলিতে অগ্নি-নিরাপত্তা অডিটের নির্দেশ দিয়েছিল।

শেষ আপডেট: 12 December 2025 11:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোয়ার ভয়াবহ আগুনে (Goa fire incident) ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনাটি এখনও তাজা। তার মাঝেই ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরে বড়সড় অগ্নিকাণ্ড (Bhubaneswar nightclub fire)। শনিবার রাতেই সত্য বিহার এলাকার একটি নাইটক্লাব-বারে হঠাৎই আগুন লাগে (Satya Vihar fire)। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে বারটি। চারদিক ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়।
মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। স্থানীয় মানুষের খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলবাহিনী। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য আগুন নেভানোর লড়াই চলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। দমকলের তৎপরতায় শেষমেশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ স্পষ্ট নয়। দমকলকর্মীদের মতে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট, রান্নাঘরের কোনও ত্রুটি বা অন্য কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যাও এর পেছনে থাকতে পারে। সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।
সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। আহত কেউ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
গোয়ার ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরই ওড়িশা ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিসেস (OFES) রাজ্যের সমস্ত রেস্তরাঁ, বার ও ১০০ জনের বেশি আসনসংখ্যা-যুক্ত স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলিতে অগ্নি-নিরাপত্তা অডিটের নির্দেশ দিয়েছিল। তার মধ্যেই ফের এমন অগ্নিকাণ্ডে উদ্বেগ বেড়েছে।
প্রসঙ্গত, উত্তর গোয়ার আরপোরায় 'বিচ বাই রোমিও লেন' নাইটক্লাবে গত শনিবার গভীর রাতে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২৫ জনের। আগুন লাগার পর অনেকেই কারণ হিসেবে উঠে আসে নানা তত্ত্ব। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, নাচের ফ্লোরেই আচমকা আগুন লেগে তা ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আশপাশও জ্বলতে শুরু করে। তখন ওখানে খুব কম করে হলেও ১০০ জন তো উপস্থিত ছিলেনই, তাঁদের বেশিরভাগই পর্যটক।