হোটেল থেকে জনজাতি যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার পরই রণক্ষেত্র আলিপুরদুয়ার, হোটেলে ভাঙচুর–অগ্নিসংযোগে উত্তেজনা চরমে।
.jpg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 15 February 2026 12:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার মাদারিহাট–বীরপাড়া ব্লকের রাঙালিবাজনা (Rangalibajna) এলাকায় হোটেল থেকে উদ্ধার হল জনজাতি যুবকের ঝুলন্ত দেহ। এনিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পরিস্থিতি। সকালে দেহ উদ্ধারের পর মুহূর্তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। হোটেলে ভাঙচুর (Vandalism), এমনকি আগুন (Arson) ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চার থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
মৃত যুবকের নাম সুকেশ ওরাঁও (Sukesh Oraon)। বাড়ি গোপালপুর চা বাগানে (Gopalpur Tea Garden)। এশিয়ান হাইওয়ে (Asian Highway) লাগোয়া দলদলিয়া এলাকার যে হোটেলে তিনি কাজ করতেন, সেখানেই শনিবার হোটেলের একপাশের ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরিবার জানাচ্ছে, তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন সুখেশ। দেহ মিলতেই এলাকাজুড়ে শুরু হয় শোরগোল। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, ‘এটা কোনওভাবেই স্বাভাবিক মৃত্যু হতে পারে না।’
বিকেল হতেই উত্তেজিত জনতার ক্ষোভ হোটেলের দিকে ধেয়ে যায়। হোটেলে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দু’টি গাড়িও (Vehicles) ভাঙচুর করা হয়। হোটেলের বাইরের দু’টি ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে বীরপাড়া দমকলকেন্দ্র (Birpara Fire Station) দ্রুত ইঞ্জিন পাঠিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অবস্থা সামাল দিতে মাদারিহাট (Madarihat), বীরপাড়া (Birpara), জয়গাঁও (Jaigaon) ও হাসিমারা (Hasimara)–এই চার থানা থেকে পুলিশ (Police Force) মোতায়েন করা হয়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে (Post-mortem) পাঠানো হয়েছে। এটা আত্মহত্যা (Suicide) নাকি নেপথ্যে অন্য কারণ—সব খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। তাঁদের মতে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট মিললেই রহস্য অনেকটাই পরিষ্কার হবে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর (Political Row)। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মিঠুন ওরাঁও (Mithun Oraon) বলেন, “নিরপেক্ষ তদন্ত (Impartial Probe) দরকার। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”