অবরোধকারীদের দাবি, মৃতের পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে গাড়ির মালিককে। কিন্তু মালিকপক্ষ জানিয়ে দেয়, এত বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব নয়। সেই নিয়ে আলোচনা ও বোঝানোর চেষ্টা চললেও পরিস্থিতি জটিল হতে থাকে।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 3 September 2025 14:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আসানসোলের চিত্তরঞ্জনে (Chittaranjan) এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হল চরম উত্তেজনা। মঙ্গলবার রাত ৮টা নাগাদ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারান এক যুবক (Youth dies in accident)।
সেই ঘটনার জেরে ক্ষতিপূরণের দাবিতে মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু হয় পথ অবরোধ। প্রায় ১৭ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ হয়ে থাকে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা (17-hour blockade)। একদিকে ঝাড়খণ্ডের মির্জা, অন্যদিকে আসানসোল শহরের জাতীয় সড়ক পর্যন্ত লরির লম্বা লাইন পড়ে যায়। নাকাল হতে থাকেন সাধারণ যাত্রীরা।
তাদের দাবি, মৃতের পরিবারকে গাড়ির মালিককে দিতে হবে ২০ লক্ষ টাকা। দাবি মানতে নারাজ মালিকপক্ষ। আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি মেটানোর চেষ্টা হলেও বারবার ব্যর্থ হয় উদ্যোগ। এরপরই বুধবার দুপুরে অবরোধকারীদের সরাতে এগিয়ে আসে পুলিশ।
প্রশাসনের তরফে বারবার আলোচনার চেষ্টা হলেও ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। শেষমেশ আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ চালায় পুলিশ। মুহূর্তে রণক্ষেত্রের রূপ নেয় গোটা এলাকা। ধাক্কাধাক্কি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়। লাঠিচার্জের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে স্থানীয় জনতা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব ছিল। পুলিশের কড়া পদক্ষেপ অযথাই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। তাদের দাবি, দীর্ঘ অবরোধে যাত্রীদের দুর্ভোগ হলেও আলোচনার পথে হাঁটা যেত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা।
অন্যদিকে প্রশাসনের বক্তব্য, এতক্ষণ ধরে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ থাকায় পরিবহণ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছিল। অসহায় অবস্থায় থাকা হাজার হাজার যাত্রীকে মুক্তি দিতেই ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ।