সাধারণত শীতের দিনে সকাল সাড়ে ৯টা বা ১০টার মধ্যেই রোদের তেজ বাড়তে শুরু করে। কিন্তু শনিবার সেই স্বাভাবিক ছক ভেঙেছে। সকাল ১১টা পর্যন্তও রোদ তেমন কঠোর না হওয়ায় কুয়াশা কাটেনি।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 20 December 2025 19:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ২৪ ঘণ্টায় দিনের তাপমাত্রায় বড়সড় পতন ঘটেছে। সেই কারণেই দৃশ্যমানতায় প্রভাব পড়েছে। এমনই বলছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Office)। শনিবার নদিয়ার তাহেরপুরে সভা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi)। কিন্তু তাঁর কপ্টারই নামতে পারেনি সেখানে। কারণ ছিল, দৃশ্যমানতা। তাপমাত্রার হেরফেরই এর জন্য দায়ী।
শুক্রবার রাজ্যে (West Bengal) দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার তা হঠাৎ নেমে আসে ২১ ডিগ্রির ঘরে। অর্থাৎ এক দিনের মধ্যেই দিনের পারদে প্রায় ৫ ডিগ্রির ফারাক। এই আকস্মিক পরিবর্তনের জেরে সকালের কুয়াশা আরও ঘন হয়ে ওঠে। বলছে, হাওয়া অফিস।
সাধারণত শীতের (Winter) দিনে সকাল সাড়ে ৯টা বা ১০টার মধ্যেই রোদের তেজ বাড়তে শুরু করে। কিন্তু শনিবার সেই স্বাভাবিক ছক ভেঙেছে। সকাল ১১টা পর্যন্তও রোদ তেমন কঠোর না হওয়ায় কুয়াশা কাটেনি। ফলে ভোরের কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ দীর্ঘক্ষণ বজায় থাকে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে দৃশ্যমানতায়।
আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, দিনের তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি পর্যাপ্ত জোরালো বাতাস না থাকায় কুয়াশা এক জায়গায় জমাট বেঁধে থাকে। বাতাসের অভাবে সেই কুয়াশা সরে যাওয়ার সুযোগ পায়নি।
তবে রবিবারের পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আবার বেড়ে ২৩ থেকে ২৪ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছবে। যদিও সকালে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকবে উত্তরবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিমাঞ্চলের পশ্চিম বর্ধমান ও পুরুলিয়া এবং উপকূলবর্তী সমস্ত জেলা। দক্ষিণবঙ্গের বাকি অংশে ভোরে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা।
তবে দিনের পারদ কমলেও রাতের তাপমাত্রা না নামলে প্রকৃত শীতের আমেজ ফিরবে না। সেই শীত আপাতত আগামী ৭২ ঘণ্টায় ফেরার সম্ভাবনা নেই। বড়দিনের আগে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে। জেলায় জেলায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত রাতের পারদ পতনের পূর্বাভাস রয়েছে বড়দিনের প্রাক্কালে।