দক্ষিণবঙ্গে পারদ কিছুটা বাড়লেও উত্তরবঙ্গের ছবিটা সম্পূর্ণ আলাদা। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ এলাকায় কনকনে ঠান্ডা এখনও দাপট দেখাচ্ছে।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 3 January 2026 10:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন বছরের প্রথম দিনে জাঁকিয়ে শীত (Winter , new year) উপভোগ করেছিল গোটা বাংলা। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলাতে শুরু করেছে আবহাওয়ার মেজাজ। শুক্রবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ধীরে ধীরে বাড়ছে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর (Weather Update) কোনও কোনও এলাকায় ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে (temperature ,South Bengal)। সেই ধারা শনিবারও বজায় থাকবে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।
যদিও আজকের পরের ৪৮ ঘণ্টায় তাপমাত্রা আর উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ার আশঙ্কা নেই। বরং একই জায়গায় স্থির থাকতে পারে পারদ। যার অর্থ, জাঁকিয়ে শীতের ইনিংসে আপাতত একটি ছোট্ট বিরতি। শীত বিদায় নেয়নি, সাময়িক থামছে মাত্র।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে এখনও ঠান্ডার আমেজ রয়েছে। তবে কয়েক দিন আগে যে কনকনে অনুভূতি ছিল, তা আপাতত কিছুটা কমেছে। তবু লেপ-কম্বল গুছিয়ে তোলার সময় আসেনি বলেই মত তাঁদের।
আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকেই ফের নতুন করে ঠান্ডার ইনিংস শুরু হতে পারে। হাড় কাঁপানো শীত আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখনই শীতের সরঞ্জাম তুলে রাখার ভুল না করাই ভাল।
দক্ষিণবঙ্গে পারদ কিছুটা বাড়লেও উত্তরবঙ্গের ছবিটা সম্পূর্ণ আলাদা। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ এলাকায় কনকনে ঠান্ডা এখনও দাপট দেখাচ্ছে। উল্টে আগামী কয়েক দিনে সেখানে তাপমাত্রা আরও কিছুটা নামতে পারে বলে আশঙ্কা। ফলে এই মুহূর্তে উত্তরবঙ্গ ভ্রমণে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের জন্য শীত উপভোগের আদর্শ সময়।
কলকাতা শহর আলোয় মোড়া থাকায় কুয়াশার প্রভাব তেমন চোখে না পড়লেও শহরতলি এবং জেলা এলাকায় কুয়াশার দাপট স্পষ্ট। দৃশ্যমানতা কমছে বলে সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া, বাঁকুড়া ও বীরভূমে ভোরের দিকে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কাটলেও ভোর বা সকালের দিকে বাইরে বেরোনোর ক্ষেত্রে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছে হাওয়া অফিস।
সব মিলিয়ে, শীতের মেজাজে আপাতত সামান্য ছন্দপতন। তবে পুরোপুরি বিদায় নয়— সপ্তাহ ঘুরলেই ফের ফিরতে পারে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা।