“নাকাবন্দি থেকে বিরত থাকতে হবে। পুজো দাও, বেরিয়ে যাও। এখানে কোনও রাজনৈতিক বক্তব্য চলবে না,” স্পষ্ট বার্তা তাঁর।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 9 January 2026 15:46
প্রতীতি ঘোষ: রানাঘাটের কর্মসূচি সেরে শুক্রবার বিকেলে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে পুজো দিতে আসার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee, Thakurnagar)। সেই সফর ঘিরে অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে ঠাকুরবাড়ি চত্বরে। আর সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেই সামনে রেখে তীব্র প্রশ্ন তুললেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর (Santanu Thakur)।
শান্তনু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি এলেও এত সিকিউরিটি রাখা হয় না। আসলে বাংলার শাহাজাদা আসছেন। এত নিরাপত্তা না থাকলে কার কোথায় পোস্টিং হয়ে যাবে, কেউ জানে না। পা চাটা আর দালালির চরম সীমায় পৌঁছেছে বাংলার পুলিশ। কে কত বড় সৈনিক দেখানোর জন্য এই নিরাপত্তা?”
এখানেই থামেননি তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক গুরুত্ব নিয়েও কটাক্ষ করেন শান্তনু। তাঁর কথায়, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে? এখানে ও কোনও ফ্যাক্টরই নয়। পার্টির ক্যাডার এনে মন্দির দখল করা, কুকুর দিয়ে মন্দির শোঁকানো—এই জিনিস এলাকাবাসী বরদাস্ত করবে না।”
একই সঙ্গে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে শান্তনু বলেন, মন্দির দখলদারি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। “নাকাবন্দি থেকে বিরত থাকতে হবে। পুজো দাও, বেরিয়ে যাও। এখানে কোনও রাজনৈতিক বক্তব্য চলবে না,” স্পষ্ট বার্তা তাঁর।
শান্তনুর এই মন্তব্য ঘিরে ঠাকুরনগর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এখন নজর, ঠাকুরনগরে এসে এই বিতর্কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন কি না।