Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

'মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধও মানা হল না'! কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন ব্রাত্য

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে দিন পরিবর্তনের দাবি তোলা হয় বেশ কয়েকদিন আগেই। শিক্ষা দফতরও সেই দাবি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পূর্বঘোষিত দিনেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড়।

'মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধও মানা হল না'! কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন ব্রাত্য

শিক্ষামন্ত্রী ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 4 August 2025 20:52

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৮ শে অগস্ট। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রতিষ্ঠা দিবস। আর ঠিক সেই দিনেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Calcutta University) স্নাতক স্তরের পরীক্ষা (Exam Decision)। তাতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে প্রবল টানাপোড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট রাজ্য সরকার। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধও উপেক্ষিত। আর সেই নিয়েই তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য শান্তা দত্ত জানান, “মুখ্যমন্ত্রী নিজে পরীক্ষার দিন পরিবর্তনের অনুরোধ করেছিলেন। শিক্ষা দফতরের তরফেও তা জানানো হয়। কিন্তু সিন্ডিকেটে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২৮ তারিখেই পরীক্ষা হবে। প্রায় তিরিশ হাজার ছাত্রছাত্রী মানসিকভাবে প্রস্তুত। তাঁদের কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত বদল সম্ভব নয়।”

উপাচার্যের এই মন্তব্যেই চটেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন না। তবুও তিনি যদি কিছু বলেন, তা অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। একটা ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসে কেউ যদি পরীক্ষায় না বসতে পারে, তার দায় কে নেবে? একই পরীক্ষা দু’বার নেওয়া, এটা ভূ-ভারতে কোথাও শোনা যায় না। এটা হাস্যকর।”

তাঁর কটাক্ষ, “কিছুটা যেন মগের মুলুক চলছে। বিষয়টি নিয়ে খুব শীঘ্রই রাজ্যের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ঠিক কী পদক্ষেপ হবে, সেটা সময়ই বলবে।”

প্রসঙ্গত, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে দিন পরিবর্তনের দাবি তোলা হয় বেশ কয়েকদিন আগেই। শিক্ষা দফতরও সেই দাবি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পূর্বঘোষিত দিনেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অবস্থান শুধু শিক্ষামন্ত্রী নয়, অন্দরের একাংশের মধ্যেও ক্ষোভের সঞ্চার করেছে বলে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর নাম জড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। এখন দেখার, এই সংঘাত শেষমেশ কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়— বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত বজায় থাকে, না কি রাজ্য সরকারের চাপের মুখে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত বদলায়।


```