আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস, বাংলায় সপ্তাহান্তে বিদায় নিতে পারে বর্ষা। রাজস্থান, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশে বর্ষা বিদায় শুরু হয়েছে। এবার ধীরে ধীরে কমবে বৃষ্টি ও আর্দ্রতা।
.png.webp)
আবহাওয়া
শেষ আপডেট: 7 October 2025 16:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা কমায় এবার থমকে থাকা বর্ষা বিদায় রেখা গতি পেতে পারে বলে অনুমান করছেন আবহাওয়াবিদরা।
রাজস্থান থেকে বর্ষা নির্ধারিত সময়ের তিন দিন আগে (১৪ সেপ্টেম্বর) বিদায় নিলেও, ২৪ সেপ্টেম্বর গুজরাটের ভিরাবল এবং ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরে এসে এই বিদায় রেখা থমকে যায়।
বর্ষা বিদায় রেখা বর্তমানে গুজরাটের ভিরাবল থেকে উজ্জয়ন, ঝাঁসি হয়ে উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুর পর্যন্ত থমকে আছে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে গুজরাটের বাকি অংশ, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রের একটি বড় অংশ থেকে বর্ষা বিদায় নিতে পারে। এই পর্ব শেষ হওয়ার পরই বাংলায় বর্ষা বিদায় নেবে।
ঝাড়খণ্ডে একটি ঘূর্ণাবর্তের কারণে এখনও বাংলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই, এবং বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ক্রমশ কমবে। আজ (মঙ্গলবার) দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং উত্তর দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। সেই সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস বইবে।
আগামীকাল (বুধবার) বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলাতে। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা ক্রমশ কমবে। বেশিরভাগ অংশেই কার্যত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে, শুধু স্থানীয়ভাবে কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আজ (মঙ্গলবার) কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলী, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়াতে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। উপকূলে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস বইবে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, নদীয়ার পাশাপাশি হাওড়া জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে দমকা বাতাস বইবে।
শুক্র ও শনিবার বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমবে, কিছু জেলার কিছু অংশে শুধু বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। রবিবার ও সোমবার বৃষ্টির সম্ভাবনা আরো কমে যাবে, কার্যত বৃষ্টি হবে না বললেই চলে। বর্ষা বিদায়ের আগেই উত্তরবঙ্গে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। নির্ধারিত দিনের সাত দিন আগে থেকেই সতর্কতা, তিন দিন আগে কমলা সতর্কতা এবং ৪৮ ঘণ্টা আগে লাল সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।