সোমবার যেখানে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩০ ডিগ্রির কাছাকাছি, মঙ্গলবার তা এক ধাক্কায় নেমে আসে ২৩ ডিগ্রিতে। ফলে সকাল থেকেই হালকা ঠান্ডার আমেজ ফিরে পায় শহর। যদিও বৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, তবু তাপমাত্রার এই পতনে স্বস্তি মিলেছে নাগরিক জীবনে।

ছবি - এআই
শেষ আপডেট: 24 February 2026 18:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (West Bengal Weather Update) মিলল হুবহু। মঙ্গলবার ভোর থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝিরিঝিরি বৃষ্টি (West Bengal Weather) শুরু হয়। কোথাও শোনা যায় বজ্রপাতের গর্জন, কোথাও দমকা হাওয়ার দাপট। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের জেরে এই অকালবর্ষণ। শীতের বিদায়ের মুখে এবং গরমের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে এই বৃষ্টি অনেকের কাছেই স্বস্তির বার্তা এনে দিয়েছে।
সোমবার যেখানে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Kolkata Weather Update) ছিল প্রায় ৩০ ডিগ্রির কাছাকাছি, মঙ্গলবার তা এক ধাক্কায় নেমে আসে ২৩ ডিগ্রিতে। ফলে সকাল থেকেই হালকা ঠান্ডার আমেজ ফিরে পায় শহর। যদিও বৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, তবু তাপমাত্রার এই পতনে স্বস্তি মিলেছে নাগরিক জীবনে।
সমতলে মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টির ছবি, পাহাড়ে অন্য দৃশ্য। দার্জিলিঙে (Darjeeling Weather) রবিবারের পর সোমবার রাতেও তুষারপাত হয়েছে। একইভাবে সিকিমের (Sikkim) বিভিন্ন উচ্চাঞ্চলেও বরফে ঢেকেছে পথঘাট। পর্যটকদের কাছে তা আকর্ষণীয় হলেও বাস্তবে তৈরি হয়েছে বিপত্তি।
পূর্ব সিকিমে জওহরলাল নেহরু রোডের সিপসু থেকে ১৬ মাইলের মধ্যে কয়েকটি পর্যটকবাহী গাড়ি বরফে আটকে পড়ে। রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দেয়। খবর পেয়ে উদ্ধারকাজে নামে ভারতীয় সেনা। পুলিশ ও জিআরইএফের সহায়তায় শিশু-সহ মোট ৪৬ জন পর্যটককে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হয়েছে।
সিকিমের আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, দার্জিলিং ও সিকিমের পার্বত্য এলাকায় আরও কয়েক দিন একই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। মূলত হিমালয়ের উঁচু অঞ্চলেই তুষারপাত চলবে। পর্যটকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দক্ষিণবঙ্গে কলকাতা ছাড়াও পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং বাঁকুড়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়াও বইতে পারে।
আগামী সাত দিনে তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। তবে সপ্তাহ গড়াতেই ধীরে ধীরে গরমের দাপট বাড়বে বলে পূর্বাভাস। অর্থাৎ, এই সাময়িক স্বস্তির পর ফের উষ্ণতার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে রাজ্যবাসীকে।