দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত শনিবার সুস্পষ্ট নিম্নচাপে এবং রবিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। সোমবার সকাল নাগাদ এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 25 October 2025 09:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অক্টোবর শেষ হতে চললেও এখনও শীতের (Winter) দেখা মেলেনি বাংলায়। তারই মধ্যে বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) তৈরি হয়েছে নতুন ঘূর্ণাবর্ত (Cyclone), যা ধীরে ধীরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর (Weather Update), সোমবার সকাল নাগাদ এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। প্রভাব পড়বে দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal), আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আঞ্চলিক অধিকর্তা হাবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, “জগদ্ধাত্রী পুজোর সময় দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। আপাতত আকাশ পরিষ্কার থাকলেও মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস। বিশেষ করে উপকূলীয় ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।”
দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত শনিবার সুস্পষ্ট নিম্নচাপে এবং রবিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। সোমবার সকাল নাগাদ এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়ে মধ্য ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে প্রবল বেগে ঘূর্ণায়মান হবে।
আবহাওয়া দফতরের পরামর্শ, ২৭ অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত মৎস্যজীবীকে উপকূলে ফিরে আসতে হবে। ২৮ অক্টোবর, অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে সমুদ্রে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। সমুদ্রে ৫০ কিমি পর্যন্ত বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।
পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উইকেন্ডে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা। শুক্রবার থেকেই দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শনিবার ও রবিবার বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে, বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে।
ছট পুজোর দিন মঙ্গলবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টি ছড়িয়ে পড়বে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গে। উপকূলীয় জেলাগুলিতে ৩০ থেকে ৫০ কিমি গতিবেগে দমকা বাতাস বইতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।