সোমবার দুপুরে সভাপতি সোনালি দাস দলীয় সদস্যদের নিয়ে সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বিডিওকে সংবর্ধনা জানান। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিকেলে সহ-সভাপতি অরুপেশ ভট্টাচার্যও তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 3 November 2025 22:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের এসআইআর (SIR in West Bengal) আবহ। মঙ্গলবার থেকেই বাড়ি বাড়ি যাবেন বিএলও-রা (BLO)। তার আগে সাঁকরাইল (Sankrail) পঞ্চায়েত সমিতিতে নতুন বিডিওর (BDO) সংবর্ধনা নিয়ে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক।
একই দিনে দু’বার নতুন বিডিওকে সম্মান জানাতে এগিয়ে এলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহ-সভাপতি—আর তা নিয়েই জেলাজুড়ে গুঞ্জন। বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূলের গোষ্ঠী-সংঘাত (TMC Clash) ফের প্রকাশ্যে এল।
সোমবার দুপুরে সভাপতি সোনালি দাস দলীয় সদস্যদের নিয়ে সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বিডিওকে সংবর্ধনা জানান। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিকেলে সহ-সভাপতি অরুপেশ ভট্টাচার্যও তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ঠিক একই উদ্দেশে দু’টি পৃথক অনুষ্ঠান! অভিজ্ঞ মহল বলছে, সংগঠনের ভিতরেই চলছে ঠান্ডা লড়াই।
এ নিয়ে সাঁকরাইল বিধানসভা এলাকার বিজেপি নেতা শ্রবণ ঘড়ুই বলেন, “একই দলের দুই শীর্ষ নেতৃত্বের আলাদা অনুষ্ঠান - এটাই প্রমাণ করে তৃণমূলের ভেতরে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।’’ সিপিএম নেতা বুধেন পাত্রের কথায়, “রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের যে ছবি, সাঁকরাইলেও সেই দৃশ্যই ধরা পড়ল।’’
তৃণমূল অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। সভাপতি সোনালি দাসের দাবি, আগেই সদস্যদের অনুষ্ঠান সম্পর্কে জানানো হয়েছিল। অন্যদিকে অরুপেশ ভট্টাচার্য জানান, “বিদায়ী বিডিওকে বিদায় জানাতে গিয়েই নতুন বিডিওর সঙ্গে দেখা হয়। তাই বিকেলে সংবর্ধনার ব্যবস্থা। দলের মধ্যে কোনও বিভাজন নেই।’’
আগামী বিধানসভা ভোটের আগে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে চাপানউতর। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সমীকরণে কি ছাপ পড়বে? নজর এখন সেখানেই।