ইতিমধ্যেই শাসকদলের তরফে লক্ষ্মীর ভান্ডারের (Lakkhir Bhandar) ভাতা বৃদ্ধি ও যুবসাথীর মতো প্রতিশ্রুতি সামনে এসেছে। তবে চূড়ান্ত ইস্তেহারে নতুন কোনও সামাজিক প্রকল্পের ঘোষণা থাকে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 20 March 2026 12:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ বিকেল চারটেয় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহার (TMC election manifesto 2026) প্রকাশ করতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে যে বিশেষ কিছু ভোটকৌশল আসতে চলেছে তৃণমূলের (TMC) তরফে, সেটা একপ্রকার নিশ্চিত ছিলই। তাই সেই ঘোষণার দিকেই চোখ রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে লক্ষ্মীর ভান্ডারের (Lakkhir Bhandar) ভাতা বৃদ্ধি ও যুবসাথীর মতো প্রতিশ্রুতি সামনে এসেছে। ২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার আগে প্রথম 'লক্ষীর ভাণ্ডার'-এর ঘোষণা করে তৃণমূল। সেটাই ক্ষমতায় নিয়ে আসতে বাড়তি সুবিধা করে দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। এবারও নির্বাচনের আগে ঘোষণা করা হয়েছে 'যুবসাথী' প্রকল্প। অন্যদিকে বেড়েছে লক্ষীর ভাণ্ডারের টাকাও। ফলে এবারে ভোটের আগে চূড়ান্ত ইস্তেহারে নতুন কোনও সামাজিক প্রকল্পের ঘোষণা থাকে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন এবং সেটা ২০২৬-এ ক্ষমতায় ধরে রাখতে তৃণমূলকে বাড়তি কী সুবিধা দিতে পারে, সেই দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট যুদ্ধের রণকৌশল চূড়ান্ত করতে গতকাল, বৃহস্পতিবার, দুপুরে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর (Subrata Bakshi) অফিসে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ ভবানীপুর বিধানসভার আটটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও বিএলএ-দের। তখনই জানা গিয়েছিল, 'উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে', এই স্লোগানকে সামনে রেখেই প্রচারে নামতে চলেছে তৃণমূল।
ভবানীপুরে ক্রমশ ভোট প্রচারের পারদ চড়ছে। ইতিমধ্যেই বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর ওয়ার্ডে জোরদার প্রচার শুরু করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে দক্ষিণ কলকাতা বিজেপি নেতৃত্ব বুধবার রাত থেকেই ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্লেক্স ও পোস্টার লাগিয়ে প্রচারে নেমেছে। হরিশ মুখার্জি স্ট্রিট ও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট এলাকায় সেই প্রচার বিশেষভাবে নজরে পড়েছে—যে ওয়ার্ডেই থাকেন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার।
অতএব, ভোটের মুখে তৃণমূলের এই ইস্তেহার কী কী নতুন বার্তা বয়ে আনছে, নাকি পুরনো প্রতিশ্রুতিকেই আরও জোরদার করতে চলেছে - সেই দিকেই নজর রাজ্য রাজনীতির।