সকাল সকাল ইডির একটি দল আন্দির গ্রামে জীবনকৃষ্ণর বাড়িতে পৌঁছয়। বিধায়ক তখন বাড়িতেই ছিলেন।

জীবনকৃষ্ণ সাহা (ফাইল ছবি)
শেষ আপডেট: 25 August 2025 11:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার সকালে মুর্শিদাবাদের আন্দিতে শোরগোল। কারণ তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। সোমবার সাত সকালে ইডি হানা দেয় তাঁর বাড়িতে। আধিকারিকদের দেখে পালাতে যান বড়ঞার বিধায়ক। গতবারের মতো ফের ঝোপে ছুড়ে দেন মোবাইল। শেষমেশ সেই মোবাইল নর্দমা থেকে উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
সূত্রের খবর, সকাল সকাল ইডির একটি দল যখন আন্দিতে জীবনকৃষ্ণর বাড়িতে পৌঁছয় তখন বাড়িতেই ছিলেন তিনি। ইডির উপস্থিতি টের পেতেই পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। পরে বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই ইডির অন্তত পাঁচ আধিকারিক তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
তবে শুধু আন্দিই নয়, সোমবার আরও একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে ইডি। বীরভূমের সাঁইথিয়ায় জীবনকৃষ্ণর পিসি তথা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়ি, মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে তাঁর শ্বশুরবাড়ি এবং মহিষ গ্রামের ব্যাঙ্ককর্মী রাজেশ ঘোষের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি।
উল্লেখ্য, জীবনকৃষ্ণ সাহার বিরুদ্ধে এর আগেও মোবাইল গোপনের অভিযোগ উঠেছিল। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সিবিআই তল্লাশিতে ধরা পড়েন তিনি। অভিযোগ ছিল, প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে নিজের দু'টি ফোন পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন। বহু চেষ্টার পর ফোন দু’টি উদ্ধার করা হয়। সেই মামলাতেই তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। দীর্ঘ ১৩ মাস জেল খাটার পর সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান।
তবে আবারও ‘মোবাইল এপিসোডে’ নাম জড়ানোয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপ বাড়ল তৃণমূলের উপর। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত যত গভীরে যাচ্ছে, ততই বিতর্কে জড়াচ্ছেন শাসকদলের এই বিধায়ক।