রাজ্যে এসআইআর-এর (West Bengal SIR) আবহেই এবার ভোটের প্রস্তুতির লক্ষ্যে বড় বৈঠক (Meeting) ডাকলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal)।
.jpeg.webp)
সিইও মনোজ আগরওয়াল
শেষ আপডেট: 2 December 2025 16:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে এসআইআর-এর (West Bengal SIR) আবহেই এবার ভোটের প্রস্তুতির লক্ষ্যে বড় বৈঠক (Meeting) ডাকলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal)। চলতি মাসের ১১ তারিখ মোট ২৫টি এজেন্সির সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। ঘটনা হল, লোকসভা হোক বা বিধানসভা, ভোটের আগে এই এজেন্সিগুলিকে কাজে লাগায় কমিশন। নজরে রাখে কোথাও কোনও বেআইনি কারবার, পাচার বা লেনদেন হচ্ছে কিনা। তবে এত আগে থেকে এই প্রস্তুতি বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অসম, কেরল এবং পুদুচেরিতে ভোট। পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাড়ি বাড়ি ‘এনুমারেশন ফর্ম’ বিলি করার প্রাথমিক পর্যায় অনেকটাই সম্পন্ন। যদিও এখনও অনেক জায়গায় ফর্ম জমা পড়লেও ডিজিটাইজের কাজ হয়নি। এমন অবস্থায় ২৫টি এজেন্সির সঙ্গে ভোট প্রস্তুতির বৈঠকে বসছে কমিশন।
যাদের সঙ্গে সিইও বৈঠকে বসবেন, তা হল
এদিকে বাংলা-সহ দেশের ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) প্রক্রিয়া পিছিয়ে দিয়েছে কমিশন। খসড়া ভোটার তালিকা এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন পিছিয়ে নতুন তারিখ জানিয়ে রবিবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
গত ৪ নভেম্বর থেকে এই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। আগে বলা হয়েছিল, ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে এনুমারেশন ফর্ম নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। নতুন ঘোষণায় গোটা প্রক্রিয়াই সাত দিন করে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এনুমারেশন ফর্ম জমা নেওয়া এবং কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে। তার মধ্যে বুথ ব্যবস্থাপনাও সেরে ফেলতে হবে। ১২ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত করার কাজ। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার। তার পর সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ, আপত্তি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত।
খসড়া তালিকার সমস্ত আপত্তি, অভিযোগ এবং দাবি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা, বিতর্কের নিষ্পত্তি করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে ডাকা এবং আলোচনার সাপেক্ষে সন্দেহ দূর করার কাজ ইআরও-রা করবেন ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোটার তালিকা ভাল করে খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত করার জন্য কমিশনের অনুমতি নিতে হবে। তার পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি।