বাংলাদেশি সন্দেহে তেহট্ট থেকে গ্রেফতার করা হল এক ব্যক্তিকে। পরে জানা গেল, বাংলাদেশে খুন করে এদেশে এসে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। ৩০ বছর পর এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ওই ব্যক্তি।
.jpeg.webp)
শেষ আপডেট: 4 August 2025 13:13
কাজল বসাক, নদিয়া
বাংলাদেশি সন্দেহে তেহট্ট থেকে গ্রেফতার করা হল এক ব্যক্তিকে। পরে জানা গেল, বাংলাদেশে খুন করে এদেশে এসে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। ৩০ বছর পর এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ওই ব্যক্তি।
তেহট্ট থানার বালিউড়া পূর্ব পাড়া এলাকায় থেকে এসটিএফ গ্রেফতার করে ওই সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে। ধৃতের নাম হাসেম আলি মল্লিক। শনিবার রাতে তাকে তেহট্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। রবিবার তাকে আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তিনদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাসেম আলি প্রায় তিরিশ বছর আগে বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলায় একটি খুনের মামলায় অভিযুক্ত। সেখান থেকে পালিয়ে ভারতে চলে এসেছিলেন। ভারতে এসে তেহট্টের এক মহিলাকে বিয়ে করেন এবং দুই সন্তানের পিতা হন। তাঁর এক ছেলে বর্তমানে আধা সামরিক বাহিনীতে কর্মরত। পেশায় তিনি মৎস্যজীবী। কৃষিকাজের সঙ্গেও যুক্ত।
বাংলাদেশ পুলিশের তরফ থেকে সম্প্রতি রাজ্য পুলিশকে জানানো হয়, বেশ কয়েকজন খুনের অভিযুক্ত ব্যক্তি পশ্চিমবঙ্গে লুকিয়ে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এসটিএফ তদন্ত শুরু করে। অনুসন্ধানে জানা যায়, হাসেম দীর্ঘদিন ধরে তেহট্ট এলাকায় বসবাস করছেন। এসটিএফের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন, সীমান্ত পেরিয়ে নদিয়ায় এসে স্থায়ীভাবে থেকে যাওয়ার কথা।
হাসেম আলি মল্লিকের কাছ থেকে বেশ কিছু ভারতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যেগুলি জাল বলেই মনে করছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ব্যক্তি নথিগুলি কীভাবে সংগ্রহ করেছেন, তা জানতে তদন্ত চলছে।