Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার

টাটাদের ৭৬৬ কোটি ক্ষতিপূরণ দিতেই হবে রাজ্যকে, সিঙ্গুর মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

আদালতে শুনানির সময় তীব্র অস্বস্তির মুখে পড়েন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। 

টাটাদের ৭৬৬ কোটি ক্ষতিপূরণ দিতেই হবে রাজ্যকে, সিঙ্গুর মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

ফাইল ছবি।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 8 August 2025 21:38

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সিঙ্গুর মামলায় টাটা গোষ্ঠীকে মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে রাজ্যকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court in Singur case)। শুক্রবার বিচারপতি পি নরসিংহ ও বিচারপতি অতুল এস চান্দুরকরের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল থাকছে। অর্থাৎ, রাজ্যকে টাটা মোটরসকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৭৬৬ কোটি টাকা দিতে হবে (State has to pay 766 crore compensati)।

এদিন আদালতে শুনানির সময় তীব্র অস্বস্তির মুখে পড়েন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। ট্রাইব্যুনালের এক সদস্যের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট বিচারপতিকে টাটা গোষ্ঠীর আমন্ত্রণে ১৫ বার নাগপুরে যেতে দেখা গিয়েছে। যদিও তিনি আরবিট্রেশন পর্বের পরে আমন্ত্রণ পেয়েও যাননি। এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বেঞ্চ। কড়া সুরে জানানো হয়, যদি এই অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়, তবে রাজ্যকে বড়সড় জরিমানা করা হবে।

অবশেষে, নিজের জমা দেওয়া নথিপত্র ফেরত নিতে চান সিব্বল। তখনই বেঞ্চের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। একপ্রকার গর্জে ওঠে আদালত: "বিশ্বাসযোগ্যতা ও আইনি নৈতিকতার প্রশ্নে এমন পদক্ষেপ কাম্য নয়।"

ঘটনার সূত্রপাত ২০০৬ সালে, যখন একলাখি গাড়ির কারখানার জন্য তৎকালীন বাম সরকার সিঙ্গুরে কৃষিজমি অধিগ্রহণ করে টাটা গোষ্ঠীকে জমি দেয়। জমি অধিগ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে আন্দোলনে নামে তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস। বহু চাষি, সমাজকর্মী এবং দলের কর্মীরা সেই আন্দোলনে সামিল হন। সেই আন্দোলনই ২০১১-র পরিবর্তনের ভিত্তিপ্রস্তর হয়ে দাঁড়ায়। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরত দেওয়া হয়।

চাষিরা জমি ফেরত পেলেও, কারখানা গড়তে না পেরে টাটা গোষ্ঠীর ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়। সেই ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করে তারা। বিষয়টি গড়ায় আরবিট্রেশন ট্রাইব্যুনালে। সেখানেই রাজ্যের বিরুদ্ধে রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল। সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য, কিন্তু শুক্রবার তা খারিজ হয়ে যায়।

এই রায় নিয়ে রাজনীতির আঁচ পড়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। বিরোধীরা বলছে, “আন্দোলনের রাজনীতি করে রাজ্যের মুখ পুড়ল, আর মোটা টাকাও দিতে হবে।” তবে শাসকদলের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


```