Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল

SSC: বহু স্কুলে শিক্ষাকর্মী নেই, ৬ মাস চলবে কী করে? উদ্বেগে প্রধানশিক্ষকদের সংগঠন

চন্দনবাবু বলেন, শিক্ষাকর্মী ছাড়া স্কুল যে অচল এটা সরকারের বোঝা উচিত ছিল।

 SSC: বহু স্কুলে শিক্ষাকর্মী নেই, ৬ মাস চলবে কী করে? উদ্বেগে প্রধানশিক্ষকদের সংগঠন

ফাইল ছবি।

শেষ আপডেট: 2 June 2025 11:52

দ্য ওয়াল ব্যুরো: টানা একমাস গরমের ছুটির পর সোমবার থেকেই খুলল সরকারি স্কুল (School)। কিন্তু নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) গত ৩ এপ্রিল সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে বহুস্কুলেই গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি'র শিক্ষাকর্মী (Non Teaching Staff) নেই বললেই চলে। নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আগামী ৬ মাস সেই স্কুলগুলিতে কীভাবে শিক্ষাকর্মীদের কাজ সামাল দেওয়া যাবে তা নিয়ে উদ্বেগে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা।

প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন 'অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেস'-এর রাজ্য সম্পাদক চন্দন মাইতি বলেন, "গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি মিলিয়ে প্রায় সাত হাজার শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে গিয়েছে। স্কুল পরিচালনার বহু কাজের সঙ্গে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি'র কর্মীরা জড়িয়ে। তাঁদের বাদ দিয়ে কীভাবে এই ৬ মাস স্কুল চালানো যাবে, তা নিয়েই আমরা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।"

গ্রুপ ডি'র শিক্ষাকর্মীরা যেমন স্কুলের ক্লাস শেষে ঘণ্টা বাজানো, ক্লাসরুম পরিষ্কার, দরজা-জানালা খোলা ও বন্ধ করার মতো কাজগুলি করেন। একইভাবে স্কুলের যাবতীয় অডিট, অ্যাকাউন্টস, অ্যাডমিশন, এমনকী সবুজ সাথী, কন্যাশ্রীর মতো রাজ্য সরকারের প্রায় ১৭-১৮টি প্রকল্পর কাজ করতে হয় গ্রুপ সি'র কর্মীদের। শিক্ষকদের বেতন থেকে পেনশনের কাগজপত্রও তাঁরা তৈরি করেন।

চন্দনবাবু বলেন, "শিক্ষাকর্মী ছাড়া স্কুল যে অচল এটা সরকারের বোঝা উচিত ছিল। যেভাবে শিক্ষকদের জন্য সরকার রিভিউ পিটিশন করে চলতি শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছে একইভাবে অশিক্ষক কর্মীদের জন্যও রাজ্যের উচিত ছিল সময় চেয়ে নেওয়া"। এ ব্যাপারে অবশ্য পর্ষদের কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। 

নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে গত ৩ এপ্রিল এসএসসির ২০১৬ সালের আস্ত প্যানেল বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। অশিক্ষক কর্মীদের চাকরি বাতিলের পাশাপাশি ডিসেম্বর পর্যন্ত (নতুন শিক্ষক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত) শিক্ষকদের ক্লাস করার অনুমতি দিয়েছে। 
সূত্রের খবর, এর ফলে জঙ্গলমহলের জেলাগুলির পাশাপাশি নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, সুন্দরবন এবং উত্তরবঙ্গের চা বাগান এলাকার বহু স্কুল শিক্ষাকর্মীহীন হয়ে পড়েছে। গত এপ্রিলে আদালতের নির্দেশ সামনে আসার পর বহু স্কুলে প্রধানশিক্ষক এবং সহশিক্ষকদেরকেই দেখা গিয়েছে অশিক্ষক কর্মীদের কাজ করতে। 

পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে চন্দনবাবু বলেন, "সরকার যদি আজ দায়িত্ব নিয়ে বিষয়গুলি দেখতেন তাহলে আজ এই দিন দেখতে হত না। হয়তো তাঁরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আইনে তো সেটা সম্ভব নয়। আইনের চোখে সবাই অপরাধী হয়ে গেল। যোগ্য-অযোগ্য আজ এক। শিক্ষাকর্মী না থাকায় তার ফল ভুগতে হবে পড়ুয়া থেকে শিক্ষক, সকলকে।"


```