Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল

SSC: ২০১৬ দুর্নীতির শিকাররা ফের বঞ্চিত! যোগ্যর মাপকাঠি কী? স্কুল সার্ভিসকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

আদালত শুক্রবার কোনও নির্দেশ দেয়নি। আগামী সোমবার রাজ্য ও এসএসসি নিজেদের অবস্থান বিস্তারিতভাবে জানাবে। তখনই স্পষ্ট হবে—২০২৫ নিয়োগবিধির ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে।

SSC: ২০১৬ দুর্নীতির শিকাররা ফের বঞ্চিত! যোগ্যর মাপকাঠি কী? স্কুল সার্ভিসকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

ফাইল ছবি।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 28 November 2025 17:22

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  ২০২৫ সালের শিক্ষক নিয়োগে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) যে নতুন বিধি এনেছে, তা নিয়েই তীব্র বিতর্ক। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বঞ্চিত প্রার্থীদের একাংশের অভিযোগ—এই বিধি সম্পূর্ণ ‘বৈষম্যমূলক’। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলার শুনানিতে সেই অভিযোগই জোরাল হয়ে উঠল। বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রশ্ন তুললেন, “কে যোগ্য, কে অযোগ্য—এসএসসি কীভাবে তা চিহ্নিত করল (Eligibility Criteria)?”

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এসএসসি (School Service Commission) সংক্রান্ত সমস্ত মামলার শুনানি বর্তমানে হাইকোর্টেই চলছে। শুক্রবার ছিল ২০২৫ সালের নিয়োগবিধি ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত ১০ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা মামলার শুনানি। আদালতে উপস্থিত মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ও ফিরদৌস শামিম দাবি করেন, “এসএসসি নতুন বিজ্ঞপ্তিতে এমন সব নিয়ম এনেছে যা আগে কখনও ছিল না। তার ফলে বহু যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন। নিজেদের সুবিধামতো বিধি বানিয়েছে কমিশন।”

মামলাকারীদের বক্তব্য, ২০১৬ সালের নিয়োগ দুর্নীতিতে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন, তাঁদের অধিকাংশেরই অভিজ্ঞতার সুযোগ হয়নি। অথচ ২০২৫ সালের নিয়মে পূর্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার বিধান থাকায় বাস্তবে সুবিধা পাচ্ছেন সেই প্রার্থীরাই, যাঁদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তাঁদের কথায়, “দাগি অযোগ্যরা অতিরিক্ত নম্বরের সুবিধা পাচ্ছেন, অথচ প্রকৃত যোগ্যরা বাদ পড়ছেন। ফলে এসএসসির নয়া বিধিই বৈষম্য তৈরি করেছে।”

এক্ষেত্রে মামলাকারীরা উল্লেখ করেন সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ, যাঁদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আছে (‘দাগি অযোগ্য’), তাঁরা কোনও অবস্থাতেই নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না। এমনকি প্রতিবন্ধী প্রার্থীর ক্ষেত্রেও ছাড় নেই। কিন্তু মামলাকারীদের অভিযোগ, এসএসসি সেই নির্দেশ মানেনি। যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকাও প্রকাশ না করায় পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত হাইকোর্টে জানান, “মামলাকারীরা নিজেদের মতো করে ২০২৫ সালের নিয়ম ব্যাখ্যা করছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ীই নতুন বিধি তৈরি হয়েছে।” 

তবে রাজ্য ও এসএসসির ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি আদালত। তিনি সরাসরি মন্তব্য করেন, “নতুন নিয়মে বহু প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন। বয়সে ছাড় দেওয়া হবে কারা? যোগ্য বলে কাকে ধরা হল? সব কিছু স্পষ্ট করে বলতে হবে।”

মামলাকারীদের আবেদন, ২৯ ও ৩০ মে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে নতুন করে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করা হোক এবং প্রকাশ করা হোক ‘যোগ্য’ ও ‘দাগি অযোগ্য’ প্রার্থীর পূর্ণাঙ্গ তালিকা। অভিযোগ, ওএমআর মূল্যায়নও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কোনও বাইরের সংস্থা দিয়ে করানো হয়নি।

তবে আদালত শুক্রবার কোনও নির্দেশ দেয়নি। আগামী সোমবার রাজ্য ও এসএসসি নিজেদের অবস্থান বিস্তারিতভাবে জানাবে। তখনই স্পষ্ট হবে—২০২৫ নিয়োগবিধির ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে।


```