শেষ পর্যন্ত কাটল দীর্ঘস্থায়ী নিয়োগ-খরা। রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election 2026) আগেই বড় ঘোষণা করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (School Service Commission)।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 24 February 2026 14:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষ পর্যন্ত কাটল দীর্ঘস্থায়ী নিয়োগ-খরা। রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election 2026) আগেই বড় ঘোষণা করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (School Service Commission)। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদে (Teachers Recruitment) সফল প্রার্থীদের হাতে নিয়োগের সুপারিশপত্র (Recruitment) তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া সোমবার থেকেই শুরু হয়ে গেল। কমিশন সূত্রে খবর, প্রশাসনিক স্তর থেকে জাতিভিত্তিক এবং বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদের (Vacancy) পূর্ণাঙ্গ তালিকা হাতে পাওয়ার পরেই অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কাউন্সিলিংয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়েছে (West Bengal News)।
শুরুতেই সাত বিষয়ের কাউন্সিলিং
জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে মোট সাতটি বিষয়ের কাউন্সিলিং (Counselling) প্রক্রিয়া শুরু করেছে কমিশন। মঙ্গল ও বুধবার— এই দু’দিন চলবে প্রথম দফার কাজ। প্রথম পর্যায়ে মোট ১৭২ জন সফল প্রার্থীকে তাঁদের কাঙ্ক্ষিত স্কুলের জন্য সুপারিশপত্র দেওয়া হবে। এর পরেই ধাপে ধাপে বাকি প্রার্থীদের ডাকবে এসএসসি (SSC Update)। কমিশনের আধিকারিকদের একাংশের মতে, স্বচ্ছতা বজায় রেখেই গোটা কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।
প্যানেলে ১৮ হাজার, শূন্যপদ ১২ হাজার
নিয়োগের এই মেগা ডিরেক্টরি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত মেধাতালিকা (Merit List) এবং ওয়েটিং লিস্ট মিলিয়ে প্রায় ১৮ হাজার প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি (SSC News)। যার মধ্যে মোট ১২ হাজার ৪৪৫টি শূন্যপদে নিয়োগ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। মেধাতালিকা (Merit List SSC) অনুযায়ী এক এক করে প্রার্থীদের কাউন্সিলিংয়ে ডেকে তাঁদের পছন্দের শূন্যপদ বা স্কুল বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
কেন এই তৎপরতা?
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে দীর্ঘ আইনি টানাপড়েন এবং বিক্ষোভের জেরে রাজ্যের ভাবমূর্তি কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছিল। সামনেই বিধানসভা ভোট (WB Assembly Election)। তার আগে যোগ্য প্রার্থীদের হাতে চাকরির সুপারিশপত্র (Appointment Letter) তুলে দিয়ে রাজ্য সরকার এবং কমিশন এই বার্তাই দিতে চাইছে যে, তারা কর্মসংস্থান নিয়ে যথেষ্ট সক্রিয়। আইনি জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করাই এখন প্রশাসনের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।
কাউন্সিলিংয়ের এই গতি বজায় থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেকটাই গুছিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।