১ জানুয়ারি ২০২৫ অনুযায়ী প্রার্থীর বয়স ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তফসিলি জাতি, উপজাতি, ওবিসি ও বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের ছাড় দেওয়া হবে সরকার নির্ধারিত নিয়মে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 15 September 2025 20:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাথমিক স্তরে 'স্পেশ্যাল এডুকেশন' শিক্ষকদের সরাসরি নিয়োগের (Special Education Teacher Recruitment) জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (WBBPE)। সোমবার জারি হওয়া এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্যের সরকারি, সরকার-সহায়ক ও সরকার-পোষিত প্রাথমিক ও জুনিয়র স্কুলে মোট ২ হাজার ৩০৮টি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রার্থীকে অবশ্যই ভারতের নাগরিক হতে হবে। আবশ্যিক যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে — আরসিআই স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে বিশেষ শিক্ষায় ডি.এড. বা সমতুল্য ডিপ্লোমা এবং বৈধ সিআরআর নম্বর। পাশাপাশি, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষায় ন্যূনতম ছ’মাসের প্রশিক্ষণ থাকা জরুরি। ১ জানুয়ারি ২০২৫ অনুযায়ী প্রার্থীর বয়স ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তফসিলি জাতি, উপজাতি, ওবিসি ও বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের ছাড় দেওয়া হবে সরকার নির্ধারিত নিয়মে।
শিক্ষার মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে সেই স্কুলের নির্দিষ্ট বিষয় বা ভাষা পড়াতে সক্ষম হতে হবে। এছাড়া শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষা (টেট) উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। যারা ইতিমধ্যেই টেট পাশ করেছেন, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে — টেট পরীক্ষার জন্য ৮০ এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষাদান ও সাক্ষাৎকারের জন্য মোট ২০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে।

আবেদনকারীদের জেলায় পোস্টিংয়ের জন্য ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল (ডিপিএসসি) বা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল (পিএসসি)-এর পছন্দ জানাতে হবে। তবে নিয়োগ চূড়ান্তভাবে নির্ভর করবে শূন্যপদ এবং ভাষা বিভাগের ওপর।
আবেদনের ফি সাধারণ প্রার্থীদের জন্য ৬০০ টাকা এবং ওবিসি প্রার্থীদের জন্য ৫০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। তফসিলি জাতি, উপজাতি, ইডব্লিউএস এবং বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের কোনও ফি দিতে হবে না।

সংরক্ষণের নিয়ম মেনে পদ বরাদ্দ হবে বলে জানিয়েছে পর্ষদ। অনলাইনে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট তারিখ এবং পদ্ধতি খুব শিগগিরিই জানানো হবে।
পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো প্রার্থীদের কাছে এটি বড় সুযোগ হতে চলেছে।