Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রী

SIR: প্রায় চার হাজার শিক্ষক সঙ্কট! বাংলা স্কুলে পড়াশোনা লাটে ওঠার আশঙ্কা

কমিশনের এহেন নির্দেশে শিক্ষকরা কিছুটা স্বস্তিতে, তবে একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

SIR: প্রায় চার হাজার শিক্ষক সঙ্কট! বাংলা স্কুলে পড়াশোনা লাটে ওঠার আশঙ্কা

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 5 November 2025 14:01

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  বাংলা স্কুলগুলো এবার SIR-এর চাপের মধ্যে গভীর সঙ্কটে। প্রায় চার হাজারের বেশি শিক্ষক শূন্য হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে (Nearly 4,000 teachers in crisis)। আর এতজন শিক্ষক না থাকলে কীভাবে চলবে স্কুলগুলি (West Bengali schools), তা নিয়েই চিন্তিত শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা। 

পাশাপাশি, বিভিন্ন জেলা থেকে ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে, অনেক স্কুলে একজন শিক্ষক থাকলেও সেই একজনকেই একসঙ্গে পাঠ দিতে হচ্ছে, পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্বও সামলাতে হচ্ছে। বিশেষ করে ব্লক লেভেলের অফিস (BLO)–এর কাজেও তাঁদের ডাকা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে, তাহলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা আরও প্রকট হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন আরও একবার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, “SIR হল ফুলটাইম জব।” ইতিমধ্যেই এই নির্দেশনা জেলাশাসকরা BLO-দের কাছে পাঠাচ্ছেন। কারণ, কমিশনের মতো স্কুল এবং এসআইআর দুটো গুরুত্বপূর্ণ কাজ একসঙ্গে করা সম্ভব নয়। ফলে এসআইআরের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের আপাতত স্কুলে যেতে হবে না।

কমিশনের এহেন নির্দেশে শিক্ষকরা কিছুটা স্বস্তিতে, তবে একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ প্রকট, কারণ SIR চলাকালীন সময়ে শিক্ষকরা স্কুলে না থাকায় নিয়মিত পড়াশোনা প্রভাবিত হচ্ছে। 

সমস্যা মেটাতে জেলা শিক্ষা বিভাগ ইতিমধ্যেই পাশের স্কুল থেকে শিক্ষকদের বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া শুরু করেছে। কিন্তু শিক্ষক সংখ্যা কম থাকায় এই ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। এখন দেখার এই সঙ্কট সমাধানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয় কিনা।

তবে সমাধানের বিশেষ কোনও পথ যে নেই, তা স্বীকার করে নিয়েছেন শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, "নানাবিধ কারণে রাজ্যের স্কুলগুলিতে এমনিতেই শিক্ষকের সংখ্যা অনেকটাই কম। এর মধ্যে আরও প্রায় চার হাজার শিক্ষককে এসআইআর এর কাজে যুক্ত করেছে কমিশন, ফলে আগামী কয়েক মাস সরকারি স্কুলগুলিতে পঠনপাঠনের হাল কী হবে, তা বলাইবাহুল্য।"


```