নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রুপ ‘বি’ বা তার ঊর্ধ্বতন কর্মীদেরই ইলেক্টোরাল রোল মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হবে।
_0.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 20 December 2025 13:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল ও ত্রুটিমুক্ত করতে পশ্চিমবঙ্গে চলতি বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় পর্বে মাইক্রো অবজার্ভার (Micro Observers) নিয়োগ নিয়ে ইতিমধ্যে সক্রিয় হয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে শনিবার বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের (officials of the Central Govt) সঙ্গে বৈঠকে বসছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রুপ ‘বি’ বা তার ঊর্ধ্বতন কর্মীদেরই ইলেক্টোরাল রোল মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হবে। কেন্দ্রীয় PSU, জাতীয়কৃত ব্যাঙ্ক এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় দফতরের কর্মীদের থেকেই এই অবজার্ভার বাছাইয়ের কথা জানানো হয়েছে।
সূত্রের খবর, শনিবার বিকেল চারটেয় সিইও দফতরে ডাকা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন Coal India, DVC, আয়কর, CGST, কাস্টমস, এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া, RBI, SLBC-এর কনভেনার, ইউকো ব্যাঙ্কের আঞ্চলিক প্রধান, চিফ পোস্টমাস্টার জেনারেল, SAIL/IISCO/DSP, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেল, মেট্রো রেল, বামার লরি এবং LIC-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় সংস্থার কর্তারা।
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সংবিধানের ৩২৪(৬) অনুচ্ছেদ এবং ‘ম্যানুয়াল অন ইলেক্টোরাল রোলস’ (মার্চ ২০২৩) অনুসারেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের হাতেই থাকবে।
এই মাইক্রো অবজার্ভারদের দায়িত্ব থাকবে ভোটার তালিকা তৈরির প্রতিটি ধাপে নজরদারি করা। BLO-দের ডিজিটাল এনুমারেশন ফর্ম যাচাই, জন্ম ও মৃত্যুর নথির সঙ্গে ভোটার তালিকার তুলনা, দাবি ও আপত্তির ক্ষেত্রে জমা পড়া নথি পরীক্ষা, শুনানি প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ এবং ত্রুটি বা অসঙ্গতি চিহ্নিত করাই হবে তাঁদের মূল কাজ। প্রয়োজনে পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণে নির্বাচনী অবজার্ভারদের সহায়তাও করবেন তাঁরা। পাশাপাশি সিইও বা বিশেষ নির্বাচনী অবজার্ভার অতিরিক্ত দায়িত্বও দিতে পারবেন।
জেলা নির্বাচন আধিকারিকরা (DEO) মাইক্রো অবজার্ভারদের জন্য প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন। কাজের সময় তাঁরা শুধুমাত্র ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজেই যুক্ত থাকবেন এবং এই সময় তাঁদের নিজ নিজ দফতরে অনুপস্থিতি ‘অন ডিউটি’ হিসেবেই গণ্য হবে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে ভোটার তালিকা নিয়ে বাড়তি স্বচ্ছতা ও নজরদারি নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই পদক্ষেপ।