সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে নারী ও শিশু—দু’জন নাবালকও রয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চোরাপথে সীমান্ত পেরোতে গিয়েই ধরা পড়ে তারা।
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 31 October 2025 20:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে ‘বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা’ বা SIR ঘোষণার পর থেকেই বাংলাদেশি (Bangladeshi) অনুপ্রবেশকারীদের ইস্যুতে রাজনৈতিক তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। বিজেপি তৃণমূলকে (BJP-TMC) লাগাতার নিশানা করছে। তার মধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের তারালি সীমান্ত (Border)) থেকে ১১ জন বাংলাদেশিকে আটক করল বিএসএফ (BSF)।
সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে নারী ও শিশু—দু’জন নাবালকও রয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চোরাপথে সীমান্ত পেরোতে গিয়েই ধরা পড়ে তারা। এরপরই বিএসএফ তাঁদের স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেয়। শনিবার ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হবে।
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা সকলেই কয়েক মাস আগে চোরাপথে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল। কেউ দিনমজুরি করতেন, কেউ বা গৃহস্থালির কাজে নিযুক্ত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি রাজ্যে SIR ঘোষণা হওয়ায় ভয় পেয়ে ফের বাংলাদেশে পালাতে চেয়েছিলেন তাঁরা।
বিএসএফের এক কর্তা বলেন, “রাতের অন্ধকারে তারালি সীমান্তের কাছে কাঁটাতারের ফাঁক দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল তারা। টহলদারি জওয়ানরা তাদের দেখতে পেয়ে আটক করে।”
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতদের দাবি, ভারতে কোনও অপরাধমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন না। কাজ হারানোর ভয়ে তাঁরা নিজ দেশে ফেরার চেষ্টা করছিলেন।
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের ইস্যু নতুন নয়। রাজ্যে বিজেপি বারবার অভিযোগ তুলেছে, “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে তৃণমূল।” বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “এসআইআর শুরু হতেই ভয় পাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। এতদিন সরকার তাদের রক্ষা করেছে, এখন বাস্তব ধরা দিচ্ছে।”
পাল্টা তৃণমূলের বক্তব্য, “সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব তো অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের। যদি অনুপ্রবেশ হয়, দায় নিতে হবে কেন্দ্রকেই।”
বিএসএফ জানিয়েছে, সম্প্রতি সীমান্তে টহল ও ড্রোন নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেসব এলাকায় কাঁটাতার নেই, সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত জওয়ান।
এক বিএসএফ আধিকারিক বলেন, “গত কয়েক সপ্তাহে অনুপ্রবেশ রুখতে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। স্থানীয়দের সহযোগিতাও নেওয়া হচ্ছে।”