তবে এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 6 February 2026 08:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গভীর রাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিকিম (Sikkim earthquake)। তারপর থেকে যেন থামছেই না কম্পনের দাপট। একটির পর একটি কম্পন টের পেয়েছেন বাসিন্দা থেকে পর্যটক - সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে মোট ১৩ বার ভূমিকম্প নথিভুক্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (Sikkim aftershocks)। সেই কম্পনের আঁচ পৌঁছয় উত্তরবঙ্গেও (North Bengal tremors)। সব মিলিয়ে আফটারশকের আতঙ্কে কাঁপছে বাংলাও।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য বলছে, রাত দেড়টা নাগাদ সিকিমের গেলসিং এলাকায় প্রধান ভূমিকম্পটি হয়। রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৪.৫ (Richter scale 4.5)। কম্পনের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
এই মূল কম্পনের পর শুরু হয় একের পর এক আফটারশক। মঙ্গন এলাকায় ৭টি এবং নামচিতে ৪টি ছোট কম্পন ধরা পড়ে। গ্যাংটকেও ৩.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
পরপর এই কম্পনে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বহু পর্যটক মাঝরাতে হোটেল ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও ঘর থেকে বেরিয়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, গত ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার, কেঁপে ওঠে কলকাতা, হাওড়া সহ কিছু এলাকা, কয়েক সেকেন্ডের স্থায়ী ছিল সেই কম্পন (earthquake in kolkata)। রাত প্রায় ৯টা ৭ নাগাদ কম্পন অনুভূত হয় বেশ কিছু অঞ্চলে। কিছুক্ষণের জন্য ব্যাহত হয় ইন্টারনেট পরিষেবাও।
পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা কম্পন অনুভূত হয় বলে জানা যায়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল মায়ানমার (Myanmar)। সেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। তবে ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি।