ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল (Epicentre) ছিল লেহ–লাদাখ এলাকায় (Leh Ladakh), এবং কম্পনের গভীরতা (Depth) ছিল প্রায় ১৭১ কিলোমিটার।

এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের (Casualties) বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির (Damage) খবর মেলেনি।
শেষ আপডেট: 19 January 2026 13:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার উত্তর-পশ্চিম কাশ্মীরের (Northwestern Kashmir) লাদাখ অঞ্চলে (Ladakh Region) ৫.৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প (Earthquake) অনুভূত হয়েছে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (National Center for Seismology–NCS) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি ঘটে সকাল ১১টা ৫১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে। এনসিএস (NCS) সূত্রে জানা গেছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল (Epicentre) ছিল লেহ–লাদাখ এলাকায় (Leh Ladakh), এবং কম্পনের গভীরতা (Depth) ছিল প্রায় ১৭১ কিলোমিটার। এই কম্পন অনুভূত হয়েছে হিমালয় পর্বতমালার ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল (Seismically Active Himalayan Belt) জুড়ে।
উল্লেখ্য, সোমবার সাত সকালে দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (National Center for Seismology) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ২.৮। সকাল ৮টা ৪৪ মিনিট ১৬ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্প হয়। এর উৎসস্থল ছিল উত্তর দিল্লি (North Delhi)। ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের কেন্দ্র। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে জানানো হয়েছে, অক্ষাংশ ২৮.৮৬ ডিগ্রি উত্তর ও দ্রাঘিমাংশ ৭৭.০৬ ডিগ্রি পূর্বে ছিল এটির অবস্থান।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের (Casualties) বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির (Damage) খবর মেলেনি। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য পরবর্তী কম্পন (Aftershocks) নিয়ে সতর্ক থাকতে সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এর ঠিক এক দিন আগেই আফগানিস্তানে (Afghanistan Earthquake) ৪.১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়, যা গোটা অঞ্চলে ভূকম্পনজনিত তৎপরতা (Heightened Seismic Activity) বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অপেক্ষাকৃত অগভীর ভূমিকম্প (Shallow Earthquakes) সাধারণত বেশি বিপজ্জনক। কারণ, ভূকম্পন তরঙ্গ (Seismic Waves) কম দূরত্ব অতিক্রম করে ভূ-পৃষ্ঠে পৌঁছায়, ফলে মাটির কম্পন হয় বেশি এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ে।
এনসিএস (NCS) তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক দিনে আফগানিস্তানে একাধিক ভূমিকম্প হয়েছে। ১৫ জানুয়ারি সেখানে ৪.২ মাত্রার ভূমিকম্প হয় ৯৬ কিলোমিটার গভীরে। তার আগের দিন, ১৪ জানুয়ারি, ৯০ কিলোমিটার গভীরে ৩.৮ মাত্রার আরেকটি কম্পন নথিভুক্ত হয়।