পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্দেশখালি থানা এলাকার ধামাখালি ফেরিঘাটের কাছে রয়্যাল গেস্ট হাউসে রুম নাম্বার ২০৬৫ এ উঠেছিল ধৃত ২ ব্যক্তি। তাঁদের কাছ থেকে ৫২০০০ টাকা আসল নগদ উদ্ধার হয়। ৪০ হাজার জাল নোট ছিল।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 22 July 2025 19:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সন্দেশখালি থেকে ৯ কোটি টাকার জাল নোট উদ্ধারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে এক মহিলা-সহ তিনজনকে। তাঁদের কাছ থেকে ৫২ হাজার টাকার আসল নোট পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কিনা তা জানার চেষ্টা চলছে (Sandeshkhali fake note recovered)।
গত সপ্তাহে সন্দেশখালি মার্কেট থেকে দুজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় জাল নোট। মূলত, জাল টাকা নিয়ে বাজার করতে গিয়েই বিপত্তি ঘটে (Sandeshkhali fake note recovered)! দোকানদারের সন্দেহ হওয়ায় তিনি পুলিশে খবর দেন।
তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই আরেক অভিযুক্ত তিস্তা সেনকে ধরে পুলিশ। বীরভূম থেকে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এখনও পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ তিওয়ারি পলাতক। ধৃতদের মধ্যে দেবব্রত চক্রবর্তীর বাড়ি মহেশতলায়। সিরাজউদ্দিন মোল্লার বাড়ি ক্যানিংয়ের জীবনতলা থানা এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্দেশখালি থানা এলাকার ধামাখালি ফেরিঘাটের কাছে রয়্যাল গেস্ট হাউসে রুম নাম্বার ২০৬৫ এ উঠেছিল ধৃত ২ ব্যক্তি। তাঁদের কাছ থেকে ৫২০০০ টাকা আসল নগদ উদ্ধার হয়। ৪০ হাজার জাল নোট ছিল। প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ টাকার জাল নোটে ছাপা ছিল মনোরঞ্জন ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। এর পাশাপাশি প্যাকেজিংয়ের কিছু জিনিসপত্র সেভলার সুতো এবং ভুয়ো নথি উদ্ধার হয়।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দেবব্রত চক্রবর্তীর প্রিন্টিংয়ের ব্যবসা রয়েছে। তাঁকে নোট ছাপার কথা বলা হলেও আসল উদ্দেশ্য জানানো হয়নি। প্রাথমিক অনুমান, লোন দিয়ে কম পয়সায় সুদ খাটাতে চেয়েছিলেন অভিযুক্তরা।
আসানসোলের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ২২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তিস্তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রির নামেও তিনি একাধিক প্রতারণার অভিযোগে জড়িয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।