Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
সরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার রণবীর-দীপিকার ৮ বছরের দাম্পত্যে বিচ্ছেদ! স্বামীর সঙ্গে বাড়তে থাকা দূরত্বই কি ডিভোর্সের কারণ?'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র

রবীন্দ্রনাথ ২০১১ সালে জনগণমন রচনা করেছিলেন, বিস্ময়কর তথ্য দিয়ে বিতর্কে হুগলির তৃণমূল নেতা

বাংলা ভাষা নিয়ে আন্দোলন, আর সেই মঞ্চ থেকেই রবীন্দ্র-নজরুল নিয়ে বিস্ময়কর তথ্য দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন গোঘাটের তৃণমূল নেতা। 

রবীন্দ্রনাথ ২০১১ সালে জনগণমন রচনা করেছিলেন, বিস্ময়কর তথ্য দিয়ে বিতর্কে হুগলির তৃণমূল নেতা

শেষ আপডেট: 28 July 2025 18:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: বাংলা ভাষা নিয়ে আন্দোলন, আর সেই মঞ্চ থেকেই রবীন্দ্র-নজরুল নিয়ে বিস্ময়কর তথ্য দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন গোঘাটের তৃণমূল নেতা। রবীন্দ্রনাথ নাকি ২০১১ সালে জাতীয় সংগীত রচনা করেছিলেন! কারার ঐ লৌহ কপাট ভেঙে ফেল ফেলরে লোটাও লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। বাংলা ভাষা বাঁচাও আন্দোলনে গোঘাট এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি নারায়ণ পাঁজার এই বক্তব্য ভাইরাল হতেই বিতর্ক তৈরি হয়।

গোঘাটে থানাগোড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তৃণমূলের সভা ছিল রবিবার। বাংলা ভাষা বাঁচাও আন্দোলনের সভা করতে গিয়ে তৃণমূল নেতা নারায়ণ চন্দ্র পাঁজা বলেন, "রবীন্দ্রনাথ ২০১১ সালে আমাদের জাতীয় সংগীত জনগণমন রচনা করেছিলেন, আজকে আমরা সেই গান গাই। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন কারার ওই লৌহ কপাট ভেঙে ফেলরে লোটা।"


 
স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে এই তথ্য তিনি কোথা থেকে পেলেন? কেন বললেন? তৃণমূল নেতা বলেন, "আসলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনেক সময় সালের গন্ডগোল হয়। প্রথমে আমি ২০১১ বলে পরে সরি বলে ১৯১১ বলেছি। কারার ওই লৌহ কপাট কাজী নজরুল ইসলাম রচনা করেছিলেন কিন্তু ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ তাকে জাগ্রত করেছিলেন। একদিকে রবীন্দ্রনাথ একদিকে নজরুল। এখানে রচয়িতা বলেছি বলে আমার মনে হয় না। মানুষ তো, অনেক সময় বলতে গিয়ে ওলট-পালট হয়। সেগুলো সংশোধন করে নিতে হয়। আমি আবেগে বলে ফেলেছি। আবেগে বলতে গিয়ে ২০১১ বলেছিলাম পরে সেটা সংশোধন করেছি।"

বিজেপির স্থানীয় নেত্রী দোলন দাস বলেন, "শাসক দলের নেতারা জানেন না বাঙালির কী আবেগ, বাঙালি সংস্কৃতি কবিগুরুর আবেগ। তাঁরা আবার বাংলা ভাষা নিয়ে মঞ্চ বেঁধে জ্ঞান দিচ্ছে। আগে জেনে তারপরে বক্তব্য রাখুন এটা পশ্চিমবঙ্গের লজ্জা।"

সিপিএমের সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, "তৃণমূল নেত্রীর কাছে নম্বর পাওয়ার জন্য এই সমস্ত উল্টোপাল্টা বকছে। এতে বাংলার ক্ষতি বাঙালির ক্ষতি। তৃণমূলের হাতে রবীন্দ্রনাথ, জাতীয় সংগীত কোনটাই সুরক্ষিত নয়।"


```