বাংলাদেশে পুশব্যাক হওয়া এক পরিযায়ী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তাঁদের মধ্যে দু’জন নাবালক রয়েছে, যাঁদের খোঁজ মিলছে না বলে অভিযোগ।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 20 August 2025 14:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে (Bangladesh) পুশব্যাক হওয়া এক পরিযায়ী পরিবারের (Migrant Case) সদস্যদের নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তাঁদের মধ্যে দু’জন নাবালক রয়েছে, যাঁদের খোঁজ মিলছে না বলে অভিযোগ (Two Children Missing)।
এই প্রেক্ষিতেই কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের হয়েছে হেবিয়াস কর্পাস মামলা। তবে মঙ্গলবার বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এই ইস্যুতে ইতিমধ্যেই একাধিক মামলা বিচারাধীন। ফলে আপাতত হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত রাখা হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্ত ভূষণের বেঞ্চ আটটি রাজ্যকে নোটিস পাঠিয়ে জানতে চেয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশ বা মাইগ্র্যান্টদের নিয়ে কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী তারা কী পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই মামলার সঙ্গেই এই মামলাটিও ‘সংযুক্ত’ হওয়ায়, হাইকোর্ট এখনই কোনও নির্দেশ দিচ্ছে না বলে জানায় ডিভিশন বেঞ্চ।
আদালতে কেন্দ্রের তরফে এ এস জি অশোক কুমার চক্রবর্তী জানান, এই মামলার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত আরও দুটি মামলা বর্তমানে দিল্লি হাইকোর্টে বিচারাধীন। তিনি বলেন, “যদি ওঁদের বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়ে থাকে, তা হলে সেটা হেবিয়াস কর্পাসের আওতায় পড়ে।”
আবেদনকারীর আইনজীবীর দাবি, এই ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে একটি মাইগ্র্যান্ট লেবার বোর্ড। তাঁরাই হোম মিনিস্ট্রির মেমোর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন। আইনজীবীর দাবি, “ভোদু শেখের দাদুকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ সেখানে তাঁর কী অবস্থা, সেটা জানা নেই। দুই নাবালকেরও কোনও খোঁজ নেই।”
এ এস জি পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, “যদি জুন মাসে তাঁদের পুশব্যাক করা হয়ে থাকে, তা হলে তাঁরা এখন কোথায়? বাংলাদেশ কি তাঁদের রেখে দিয়েছে?”
সব পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে আদালত জানিয়ে দেয়, ২৯ অগস্ট সুপ্রিম কোর্টে মূল মামলার শুনানি রয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১০ সেপ্টেম্বর।