ভিডিওটির ক্যাপশনে নন্দা লিখেছেন, “মায়ের চোখে কখনও বিশ্রাম নেই।” এই একটুকু বাক্যেই ধরা পড়েছে অরণ্যের কঠিন বাস্তব, মাতৃত্ব আর প্রহরার মেলবন্ধন।
.jpeg.webp)
ভাইরাল ভিডিওর অংশবিশেষ।
শেষ আপডেট: 20 August 2025 12:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃষ্টি হলেও ভ্যাপসা গরমে মানুষ হাঁসফাঁস করছে, ঠিক তখনই জঙ্গলের এক কোণে প্রকৃতির ‘নেচারাল এসি’-তে জমিয়ে স্নান করছে বাঘশাবকরা (Cubs)। তাদের খেলার ছলে জলে দাপাদাপি, আর নিরাপত্তার ছায়া হয়ে পাহারায় মা বাঘিনি (Tigress), এই অনন্য দৃশ্যই এখন মাতিয়ে তুলেছে নেটদুনিয়া (Viral Video)।
পাহারায় মা বাঘিনি#RoyelBengalTiger #viralvideo #tiger #reelsshorts #TheWallNews pic.twitter.com/zjARe6UC4U
— The Wall (@TheWallTweets) August 20, 2025
প্রাক্তন আইএফএস অফিসার সুশান্ত নন্দা এক্স-এ (পূর্বতন টুইটার) শেয়ার করেছেন ২৫ সেকেন্ডের এক দুর্লভ ভিডিও। দেখা যাচ্ছে, একঝাঁক বাঘশাবক নির্ভয়ে জলে লাফালাফি করছে, আর একটু দূরে বসে চোখের পলক না ফেলে পাহারা দিচ্ছে মা বাঘিনি।
ভিডিওটির ক্যাপশনে নন্দা লিখেছেন, “মায়ের চোখে কখনও বিশ্রাম নেই।” এই একটুকু বাক্যেই ধরা পড়েছে অরণ্যের কঠিন বাস্তব, মাতৃত্ব আর প্রহরার মেলবন্ধন।
নেটিজেনদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে এই দৃশ্য। একজনের মন্তব্য, “বাঘ সিংহের থেকে অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। ওদের গায়ে পোকা-মাকড় থাকে না।”
আর একজন তো মজার ছলেই গুনে ফেলেছেন, “একটা বাঘ, দুটো বাঘ, তিনটে বাঘ, চারটে বাঘ—এত বাঘ একসঙ্গে আগে কখনও দেখিনি!”
বাঘদের জলের প্রতি ভালবাসার কথাও উঠে এসেছে মন্তব্যে। কেউ লিখেছেন, “জল শুধু ওদের ঠান্ডা রাখে না, শরীরের কীটপতঙ্গ দূর করে, শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে—প্রকৃতির এসি বললে কম বলা হয়।”
A mother’s eye never rest-the tigress guards the cub as they play cooling their body in a waterhole🩷
Tigers are rare among big cats.They love water. It regulates their body temperature,relieves parasites,biting insects & helps them to conserve energy.
Natures Air Conditioners. pic.twitter.com/6PzkvixAiv— Susanta Nanda IFS (Retd) (@susantananda3) August 17, 2025
ভারতে এখন বাঘের সংখ্যা ৩,৬৮২—যা গোটা বিশ্বের বাঘের প্রায় ৭৫ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বাঘ দিবসে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব বলেছিলেন, “বাঘ মানে শুধু একটা প্রজাতি নয়, গোটা অরণ্যের স্বাস্থ্য রক্ষা।”
সত্যিই, এই ভিডিও শুধু মায়ের স্নেহ নয়, এক সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্রের নিঃশব্দ গল্প বলে দেয়। আর সে গল্পের সাক্ষী হয়ে উঠেছে আজকের ইন্টারনেট।