রাজ্যবাসীকে লেখা খোলা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর দাবি, গত দেড় দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal Assembly Election 2026) ‘অপশাসন আর দুর্নীতির শিকার’। এই অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার সময় এসেছে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদী
শেষ আপডেট: 15 April 2026 14:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'জয় মা কালী' লিখে বাংলার মানুষকে নববর্ষের (Subho Noboborsho) শুভেচ্ছাবার্তা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। তবে তাঁর এই বার্তায় কেবল উৎসবের শুভেচ্ছা নয়, মিশে থাকল রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাকও। রাজ্যবাসীকে লেখা খোলা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর দাবি, গত দেড় দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal Assembly Election 2026) ‘অপশাসন আর দুর্নীতির শিকার’। এই অচলাবস্থা কাটিয়ে এবার সময় এসেছে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’ গড়ার।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তার শুরুতেই ‘জয় মা কালী’ (Joy Maa Kali) সম্বোধন করে নতুন উদ্দীপনায় এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু তার পরেই সুর চড়িয়ে বাংলার বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করেন তিনি। মোদীর মতে, গত ১৫ বছরে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারের ওপর চরম আঘাত হানা হয়েছে। তাঁর কথায়, “বাংলার মা-বোনেদের নিরাপত্তা, যুবসমাজের কর্মসংস্থান আজ বিপন্ন। বর্তমান সরকার যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে, তাতে গরিব মানুষের অধিকার আজ লুণ্ঠিত।”
পরিবর্তনের ব্লু-প্রিন্ট
এবারের বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election 2026) কেবল একটি সাধারণ ভোট নয়, বরং বাংলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ‘সুবর্ণ সুযোগ’ হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে—
‘ভয় বনাম ভরসার লড়াই’
প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) তাঁর বার্তায় এই লড়াইকে ‘ভয় বনাম ভরসার লড়াই’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর আবেদন, গণতন্ত্রের উৎসবে নির্ভয়ে অংশগ্রহণ করে মানুষ যেন এক ঐতিহাসিক জয় উপহার দেন। তাঁর বিশ্বাস, পশ্চিমবঙ্গ ফের সারা দেশকে পথ দেখাবে এবং ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার অন্যতম কাণ্ডারি হয়ে উঠবে।
পয়লা বৈশাখে মোদীর (Poyla Boishakh) এই বিশেষ বার্তা আদতে ভোটের আগে বঙ্গবাসীকে দেওয়া এক বড় রাজনৈতিক অঙ্গীকার বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ‘পদ্মফুল’ চিহ্নে ভোট দিয়ে নতুন ভোরের পথ প্রশস্ত করার যে আর্জি তিনি জানিয়েছেন, তা বাংলার মানুষের মনে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।