Date : 16th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিরাট ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লখনউ! রশিখ-ভুবনেশ্বরদের বোলিং দাপটে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আরসিবি‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডিরটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি

কর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের

আদালতের পর্যবেক্ষণ, “নারী ও পুরুষ আইনের চোখে সমান ঠিকই, কিন্তু তাঁদের জৈবিক বাস্তবতা আলাদা। সেই বাস্তবতাকে সম্মান জানানোই প্রকৃত সমতা।”

কর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের

ছবি - গুগল

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 15 April 2026 20:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিল কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnataka High court)। বুধবার আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি সরকারি, বেসরকারি এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে (Unorganised Sector) মহিলাদের জন্য ঋতুকালীন ছুটি বা 'মেনস্ট্রুয়াল লিভ' (Menstrual leave policy Karnataka) কার্যকর করতে হবে সরকারকে।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, “নারী ও পুরুষ আইনের চোখে সমান ঠিকই, কিন্তু তাঁদের জৈবিক বাস্তবতা আলাদা। সেই বাস্তবতাকে সম্মান জানানোই প্রকৃত সমতা (one day paid menstrual leave policy Karnataka)।”

কী এই নতুন নিয়ম?

২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কর্নাটক সরকার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। যেখানে বলা হয়েছিল, ১৮ থেকে ৫২ বছর বয়সি সকল কর্মজীবী মহিলারা মাসে একদিন করে ‘পেইড লিভ’ বা বেতনসহ ছুটি পাবেন। কিন্তু এক হোটেল কর্মীর করা মামলায় অভিযোগ ওঠে, এই নিয়ম খাতায়-কলমে থাকলেও বাস্তবে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে না। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই আজ বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্নর বেঞ্চ এই কড়া নির্দেশ দেয়।

আদালতের নজিরবিহীন পর্যবেক্ষণ

আদালত এই রায়ে কয়েকটি অত্যন্ত জরুরি বিষয়ে নজর দিয়েছে:

  • মর্যাদার লড়াই: আদালত জানিয়েছে, ঋতুকালীন ছুটি কোনও বাড়তি সুবিধা বা ‘প্রিভিলেজ’ নয়। এটি একজন মহিলার মর্যাদা এবং তাঁর শারীরিক বাস্তবতার প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি।
  • সমতার নতুন সংজ্ঞা: সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ (সমতার অধিকার) উল্লেখ করে আদালত জানায়, জৈবিক পার্থক্য মেনে নেওয়া মানে সাম্যের অমর্যাদা করা নয়। বরং সুস্থাস্থ্য এবং শারীরিক স্বায়ত্তশাসনের অধিকার সুনিশ্চিত করাই সংবিধানের আসল লক্ষ্য।
  • অসংগঠিত ক্ষেত্রে জোর: যারা দৈনিক মজুরি বা হোটেলে কায়িক পরিশ্রমের কাজ করেন, তাঁদের জন্য এই ছুটি আরও বেশি জরুরি। কারণ কর্মক্ষেত্রে অনেক সময় ন্যূনতম পরিচ্ছন্নতার মান বজায় থাকে না।

সরকারের দায়বদ্ধতা

রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল আদালতকে জানিয়েছেন যে, বিধানসভায় এই সংক্রান্ত একটি বিলও আনা হচ্ছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যতদিন না ওই বিলটি পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হচ্ছে, ততদিন বর্তমান সরকারি নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। অসংগঠিত ক্ষেত্রের বিপুল সংখ্যক মহিলা শ্রমিক যাতে এই সুবিধার আওতায় আসেন, তার জন্য প্রয়োজনীয় গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কেন এই লড়াই?

মামলাকারী মহিলা নিজে একটি হোটেলে কাজ করেন যেখানে প্রচুর শারীরিক পরিশ্রম হয়। তাঁর অভিযোগ ছিল, হাইজিন বা পরিচ্ছন্নতার অভাব এবং কাজের চাপের মাঝে পিরিয়ডের দিনগুলো কাটানো বিভীষিকার মতো।

এই রায়ের ফলে কর্নাটকের কয়েক লক্ষ মহিলা কর্মী, আইটি সেক্টর থেকে শুরু করে দিনমজুর, প্রত্যেকেই মাসে একদিন স্বস্তির নিশ্বাস নেওয়ার আইনি অধিকার পেলেন।


```