Date : 16th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিরাট ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লখনউ! রশিখ-ভুবনেশ্বরদের বোলিং দাপটে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আরসিবি‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডিরটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি

‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডির

কয়লা পাচারে ‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের অভিনব কৌশল ফাঁস করল ইডি। অনুপ মাজি সিন্ডিকেটের ১৫৯.৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত।

‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডির

ফাইল চিত্র

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 15 April 2026 22:55

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে এবার নজিরবিহীন তৎপরতা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED)। এই মামলার মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে ‘লালা’র সিন্ডিকেট (ECL coal scam) এবং তার সহযোগী সংস্থাগুলির প্রায় ১৫৯.৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি সাময়িকভাবে বাজেয়াপ্ত (provisional attachment) করল ইডি। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইন (PMLA)-এর অধীনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ ৪৮২.২২ কোটি টাকায় পৌঁছল।

তদন্তকারীদের দাবি, ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (ECL) এলাকা থেকে বেআইনিভাবে উত্তোলিত কয়লা পাচারের জন্য অভিনব এক পদ্ধতি ব্যবহার করত লালা ও তার সহযোগীরা।

ট্রাকগুলিকে নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হতো ‘লালা প্যাড’ নামক এক ভুয়ো ইনভয়েস ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি নাকা তল্লাশিতে পুলিশ বা প্রশাসনের নজর এড়াতে ব্যবহার করা হতো ১০ বা ২০ টাকার নোটের সিরিয়াল নম্বর।

ইডি-র দাবি, সিন্ডিকেটের অপারেটররা ট্রাক চালকদের ১০ বা ২০ টাকার একটি নির্দিষ্ট নোট দিতেন। সেই নোটের ছবি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ‘প্রভাবশালী’ আধিকারিকদের পাঠিয়ে দেওয়া হতো। চেকপোস্টে ওই নির্দিষ্ট নোট দেখালে ট্রাকগুলিকে বিনা বাধায় ছেড়ে দেওয়া হতো অথবা কোথাও আটকানো হলেও ছবি মিলিয়ে দেখার পর দ্রুত মুক্তি দেওয়া হত।

তদন্তে ইডি জানতে পেরেছে, অবৈধ খনি থেকে উত্তোলিত কয়লা নগদ টাকার বিনিময়ে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক সংস্থাকে বিক্রি করা হতো। এই বেআইনি কারবারের মুনাফা লুকানোর জন্য ব্যবহার করা হতো ‘হাওয়ালা’ নেটওয়ার্ক। ইডি-র নজরদারিতে রয়েছে সঞ্জয় আগরওয়াল এবং ব্রিজ ভূষণ আগরওয়াল পরিচালিত ‘শ্যাম গ্রুপ’-এর একাধিক সংস্থা। অভিযোগ, শ্যাম সেল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড এবং শ্যাম ফেরো অ্যালয়েস লিমিটেডের মতো সংস্থাগুলি জেনেবুঝেই এই কারবারে মদত দিয়েছিল এবং কয়লা পাচারের কালো টাকাকে বৈধ বিনিয়োগ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছিল।

কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, এই পাচার চক্র কেবল ব্যবসায়ীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, এতে যুক্ত ছিল স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক অসাধু অংশ। তাদের প্রত্যক্ষ মদতেই দিনের পর দিন আসানসোল-রানিগঞ্জ শিল্পাঞ্চল থেকে কয়লা পাচার হয়ে পৌঁছে গিয়েছে ভিনরাজ্যের কলকারখানায়। ইডি-র এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই চক্রের প্রতিটি স্তর এবং অন্তিম সুবিধাভোগীদের (ultimate beneficiaries) চিহ্নিত করার কাজ চলছে।


```