অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের (Prosenjit Chatterjee) প্রযোজনা সংস্থা রয়েছে। তিনি যে সেই পরিধি বাড়িয়ে এবার পুরোদস্তুর সিনেমা হলের (Cinema Hall) ব্যবসাতেও নেমে পড়তে চলেছেন কে জানত!

শেষ আপডেট: 24 July 2025 17:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের (Prosenjit Chatterjee) প্রযোজনা সংস্থা রয়েছে। তিনি যে সেই পরিধি বাড়িয়ে এবার পুরোদস্তুর সিনেমা হলের (Cinema Hall) ব্যবসাতেও নেমে পড়তে চলেছেন কে জানত! বৃহস্পতিবার মহানায়ক সম্মান দেওয়ার অনুষ্ঠানে সেই কথাটা জানা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মুখ থেকেই।
এদিন মহানায়ক সম্মান দেওয়ার অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রসেনজিৎ একটা ভাল মডেল করেছে। অফিসাররা দেখে এসে আমাকে বলেছে। প্রায় একশটা জায়গায় ৪০ -৫০ জনের বসার মতো একটা সিনেমা ঘর বানাচ্ছে প্রসেনজিৎ। ওই হলটা দেখে আমরা খুশি হয়েছি”।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী যখন একথাগুলো বলছিলেন, তখন মঞ্চে একপাশে বসেছিলেন প্রসেনজিৎ। গ্রে ট্রাউজারের সঙ্গে একটা হোয়াইট ক্যাজুয়াল শার্ট পরেছিলেন। পায়ে অফ হোয়াইট স্নিকার। তাঁর মুখ দেখে মনে হচ্ছিল, এভাবে ব্যাপারটা মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দেবেন তার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না।
সে যাক। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ও যেভাবে সিনেমা ঘর বানাচ্ছে তাতে সিনেমাটা আরও বেশি ছড়িয়ে পড়বে। এটা যদি হয় তাহলে বুথ স্তরে তৃণমূল স্তরে বা প্রত্যন্ত এলাকার আরও বেশি মানুষ সিনেমা দেখতে পাবে। আর ওরা যে ছবিগুলো বানাচ্ছে সেগুলো মার্কেটও পাবে। কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হবে”।
কলকাতা সহ গোটা বাংলায় সিঙ্গল স্ক্রিনগুলোর আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। অনেক সিনেমা হল তথা সিঙ্গল স্ক্রিন হাত বদল হয়ে রাতারাতি শপিং মল হয়ে গেছে। অতো বড় হল এখন চলে না। এই অবস্থায় প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফ একটা মডেল বাজারে এনেছিল। তা হল শহরতলি ও মফস্বলের সিঙ্গল স্ক্রিনগুলোকে নিয়ে এসভিএফ সিনেমা তারা শুরু করেছে। সেখানে সিঙ্গল স্ক্রিনকে তারা মাল্টিপল স্ক্রিনে পরিণত করেছে। এখন ২১টি জায়গায় তাদের ৪০ টি স্ক্রিন রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর কথা থেকে স্পষ্ট প্রসেনজিৎ আরও মাইক্রো ফরম্যাটে বিষয়টি করতে চাইছেন। যাতে পারসোনালাইজড এক্সিপিরিয়েন্স দেওয়া যায় দর্শকদের। এ ব্যাপারে তিনি কবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন এখন সেটাই দেখার।