২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গাইঘাটা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের নরোত্তম বিশ্বাস। তিনি বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুরের কাছে পরাজিত হন। পরবর্তীতে দল তাঁকে গাইঘাটা ও বাগদা বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর পদে দায়িত্ব দেয়।

শেষ আপডেট: 14 February 2026 15:02
প্রতীতি ঘোষ, উত্তর ২৪ পরগনা: নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই পোস্টার বিতর্কে চাঞ্চল্য ছড়াল গাইঘাটায়। প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল।
এলাকার তৃণমূল নেতা নরোত্তম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গাইঘাটার বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার ও ব্যানার পড়েছে ‘গাইঘাটা বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেস পরিবার’-এর নামে। আর এই ঘটনায় গাইঘাটা বিধানসভা এলাকায় নতুন করে অস্বস্তিতে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ব্যানারে লেখা হয়েছে 'সোনা চোর', 'জমি মাফিয়া','তোলাবাজ' সহ একাধিক শব্দবন্ধ। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোরচর্চা শুরু হয়েছে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গাইঘাটা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের নরোত্তম বিশ্বাস। তিনি বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুরের কাছে পরাজিত হন। পরবর্তীতে দল তাঁকে গাইঘাটা ও বাগদা বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর পদে দায়িত্ব দেয়।
সম্প্রতি পোস্টার ছড়িয়ে নরোত্তম বিশ্বাসের ছবি ব্যবহার করে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী হিসেবে চায় না দলের একাংশ। পোস্টারে দাবি করা হয়েছে, গাইঘাটার মানুষ নতুন, শিক্ষিত ও জনদরদী প্রার্থী চান। তবে পোস্টারে ওঠা অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।
এই পোস্টার-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে গোষ্ঠী কোন্দলের জল্পনা জোরদার হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন নরোত্তম বিশ্বাস। তাঁর বক্তব্য, “কাকে কোথা থেকে প্রার্থী করা হবে, তা দলীয় নেতৃত্বই ঠিক করবে। আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। কারও কোনও অভিযোগ থাকলে আইনগত পথে থানায় জানানো উচিত।” বনগাঁর বিজেপি নেতা দেবদাস মণ্ডল বলেন, “এটা তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই। সম্পূর্ণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।”