দশ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও নিখোঁজ ইসলামপুরের নাবালক। মহেশতলায় জিন্স কারখানায় কাজ করতে আসা সেই নাবালক কোথায় আছে, আদৌ বেঁচে আছে কিনা— সেই উত্তরও এখনও অজানা।

এখনও নিখোঁজ নির্যাতিত নাবালক
শেষ আপডেট: 9 June 2025 14:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দশ দিন পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও নিখোঁজ ইসলামপুরের নাবালক (Islampur Minor)। মহেশতলায় জিন্স কারখানায় কাজ করতে আসা সেই নাবালক কোথায় আছে, আদৌ বেঁচে আছে কিনা— সেই উত্তরও এখনও অজানা।
রবীন্দ্রনগরে নাবালক নির্যাতনের (Minor Harassment) ঘটনায় মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত জিন্স কারখানার মালিক শাহেনশাহ-সহ তার ভাই ফিরোজ এবং আমিরুল মোহাম্মদকে। রোববার সকাল সকাল তাঁদের কলকাতা আনা হয়। ধৃতদের আলিপুর আদালতে পেশ করা হলে ১৬ জুন পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক (Alipur Court)।
শনিবার দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় ইসলামপুরে। নাবালোকের কোনও খবর না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে পরিবার, প্রতিবেশীরা। ইসলামপুরে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে, পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। অন্যদিকে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট পাঁচজন গ্রেফতার হয়েছেন। শাহেনশার সঙ্গে বাকিদের মুখোমুখি জেরা করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
এখনও পর্যন্ত জেরা করে পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের দাবি নাবালক ও তার বাবা ফাঁসাচ্ছে। ছেলেটি মোবাইল চুরি করেছিল। তাই তাকে মারধর করা হয়। নাবালককে কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়নি। শাহজাহানে বক্তব্য, "ছেলেটি নিজেই কারখানা থেকে পালিয়েছে। যেহেতু পাল্টা আমাদেরই ফাঁসানো হচ্ছিল, তাই ভয়ে আমরা পালিয়ে যাচ্ছিলাম।"
ধৃতদের দাবি কতটা ঠিক, সেট নিশ্চিত হতে যে যে রাস্তা দিয়ে তাঁরা পালিয়ে যাচ্ছিলেন, সেখানকার সব সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ দিন আলিপুর আদালতে পেশ করা হয় অভিযুক্তদের। নাবালকের খোঁজ পেতে, ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জেরার প্রয়োজন রয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।
বস্তুত, নাবালককে প্রথমে উল্টো করে ঝুলিয়ে মারধর করা হয়। এর পরে তাকে ওখান থেকে সরিয়ে দেয়। কোথায় রেখেছে, তা এখনও বলেনি অভিযুক্তরা। সবটা পরিষ্কার করে বুঝতে, কোথায় রাখা হয়েছে নাবালককে সবটা জানতে তৎপর পুলিশ।