এ যেন এক অন্য পুজো। কিছু গৃহহীন,পরিবারহীন, অসহায় মানুষ, বয়সে কেউ পিতৃতুল্য, কেউবা মায়ের বয়সী। এমনই সব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছে নব ব্যারাকপুর পুরসভা। সেই আশ্রয়স্থলের নাম 'স্নেহের বন্ধন'।

শেষ আপডেট: 29 September 2025 17:47
পুলিশ পোশাক দিল, আবার ঠাকুরও দেখাল। কিছুই নেই যাঁদের, সেই সব মানুষদের এবারে পুজোটা একদম অন্যরকম করে দিলেন পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা। অভিনব উদ্যোগে হাসি ফুটল সংসার সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের মুখে।
এ যেন এক অন্য পুজো। কিছু গৃহহীন,পরিবারহীন, অসহায় মানুষ, বয়সে কেউ পিতৃতুল্য, কেউবা মায়ের বয়সী। এমনই সব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছে নব ব্যারাকপুর পুরসভা। সেই আশ্রয়স্থলের নাম 'স্নেহের বন্ধন'। থানা থেকে যার দূরত্ব মাত্র ৫০০ মিটার।
এলাকায় টহল দিতে দিতে এই অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের দিকে নজর পড়ে নব ব্যারাকপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের। তারপরে থানার সাথে এই চালচুলোহীন বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের নতুন এক সম্পর্কের সূচনা হয়। অগনিত বৃদ্ধ-বৃদ্ধার সন্তানতুল্য হয়ে ওঠেন নব ব্যারাকপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সুমিত কুমার বৈদ্য। তাঁর সঙ্গে সঙ্গত করেন থানার অন্যান্য অফিসাররা। স্নেহের বন্ধনে বেঁধে ফেলেন একে অপরকে।
অসহায় মানুষগুলি বলছেন, এর আগে কেউই তাঁদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে খাওয়াদাওয়া করেননি, এমনভাবে তাঁদের আগলে রাখেননি। সুমিতবাবু সেই জড়তা ভেঙেছেন, হয়ে উঠেছেন অসহায় বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের নির্ভর। রবিবার বিভিন্ন মণ্ডপে যখন মঙ্গলবাদ্য ও শঙ্খধ্বনিতে দেবীর বোধনের সূচনা হচ্ছে, সেই সময় নব ব্যারাকপুরে গৃহহীনদের আবাসনের বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের হাতে পুজোর পোশাক তুলে দিয়ে অন্যরকম দেবী বোধন করলেন নব ব্যারাকপুর থানার আধিকারিক। শুধু তাই নয়, রবিবার সন্ধ্যায় সমস্ত বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের প্রতিমা দর্শনেরও ব্যবস্থা করা হল থানার পক্ষ থেকে।