Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল৪২-এ বেবি বাম্প নিয়েও ওয়েট লিফটিং! স্বামী বরুণের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে রোম্যান্স করিশ্মারIPL 2026: হেরেও শীর্ষে রাজস্থান! কমলা ও বেগুনি টুপি আপাতত কোন দুই তারকার দখলে? প্রকাশ্যে আয়-সম্পত্তির খতিয়ান, রাজ না শুভশ্রী! সম্পত্তির নিরিখে এগিয়ে কে? অ্যাপল ওয়াচ থেকে ওউরা রিং, কেন একসঙ্গে ৩টি ডিভাইস পরেন মুখ্যমন্ত্রী? নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণপ্রসবের তাড়াহুড়োয় ভয়াবহ পরিণতি! আশাকর্মীর গাফিলতিতে দু'টুকরো হল শিশুর দেহ, মাথা রয়ে গেল গর্ভেই২০ বছরের 'রাজ্যপাট'! ইস্তফা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ‘সুশাসন বাবু' নীতীশ কুমারের, উত্তরসূরির শপথ কবেমুম্বইয়ের কনসার্টে নিষিদ্ধ মাদকের ছড়াছড়ি! 'ওভারডোজে' মৃত্যু ২ এমবিএ পড়ুয়ার, গ্রেফতার ৫IPL 2026: ‘টাইগার জিন্টা হ্যায়!’ পাঞ্জাবকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভাইরাল মিমের স্মৃতি উসকে দিলেন সলমন

মুড তো ভালই দেখলাম এবার বুথে নজর দিন: বিজেপি নেতাদের আর কী বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi in Kolkata) হেলিকপ্টার যখন রেস কোর্সের হ্যালিপ্যাডে পৌঁছয়, তখন দলের রাজ্য নেতারা প্রায় সকলেই ব্রিগেডের (BJP Brigade) মঞ্চে বসে। সরকারি অনুষ্ঠান সেরে সরাসরি সেই মঞ্চে এসে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থাৎ ব্যাক স্টেজে পারস্পরিক কথা বার্তার কোনও সুযোগ ছিল না। শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, অশোক লাহিড়িদের সঙ্গে যে টুকু যা কথা হয়েছে তা মঞ্চে বসেই। কৌতূহলের বিষয় হল, এত বড় ব্রিগেড সমাবেশ দেখে দু-চার লাইন কী কথাই বা বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী।

মুড তো ভালই দেখলাম এবার বুথে নজর দিন: বিজেপি নেতাদের আর কী বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 15 March 2026 15:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi in Kolkata) হেলিকপ্টার যখন রেস কোর্সের হ্যালিপ্যাডে পৌঁছয়, তখন দলের রাজ্য নেতারা প্রায় সকলেই ব্রিগেডের (BJP Brigade) মঞ্চে বসে। সরকারি অনুষ্ঠান সেরে সরাসরি সেই মঞ্চে এসে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থাৎ ব্যাক স্টেজে পারস্পরিক কথা বার্তার কোনও সুযোগ ছিল না। শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, অশোক লাহিড়িদের সঙ্গে যে টুকু যা কথা হয়েছে তা মঞ্চে বসেই। কৌতূহলের বিষয় হল, এত বড় ব্রিগেড সমাবেশ দেখে দু-চার লাইন কী কথাই বা বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার ব্রিগেডের সমাগম নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তর্ক রয়েছে। বিজেপি নেতারা দাবি করছেন, অন্তত ৫ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল। আর তৃণমূলের নেতারা বলছেন, ১ লক্ষের বেশি নয়। বাইরে থেকে লোক আনা হয়েছিল। একজনের সভাকে অন্য জন খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করাটাই রাজনীতিতে দস্তুর। সেই যাই হোক, সূত্রের দাবি, শনিবার ব্রিগেডের আয়োজন দেখে প্রধানমন্ত্রী সন্তুষ্ট। ভিড়ের স্বতঃস্ফূর্ততা ও কর্মীদের মধ্যে যথেষ্ট উন্মাদনাও তাঁর নজরে পড়েছে।

দিল্লিতে ফিরে গিয়েও রাজ্যের নেতা কর্মীদের উৎসাহ দিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কলকাতার সমাবেশে উপচে পড়া ভিড় পরিষ্কার বুঝিয়ে দিচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পরিবর্তনের জন্য দৃঢ় সঙ্কল্প করেছে।

জানা গিয়েছে, মঞ্চে বসেই রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের মুড তো ভাল দেখছি। পরিবর্তনের জন্য ভাল হাওয়া রয়েছে। আপনারা এবার বুথে বেশি করে নজর দিন। বুথে নজর দিলেই ফল ভাল হবে।

প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তৃতায় শনিবার বারবার পরিবর্তন শব্দটিতে জোর দেন। সেই সঙ্গে বিকল্প উন্নয়নের মডেল দেখানোর চেষ্টা করেন। তবে তিনি যেভাবে বুথে জোর দেওয়ার কথা বলছেন, সেটা প্রকৃতপক্ষে কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে বিজেপির মধ্যেও সংশয় রয়েছে।

দলের রাজ্য নেতাদের অনেকেই স্বীকার করছেন, এখনও বহু জায়গায় বুথে সমস্যা রয়েছে। তবে কথাটা আর প্রধানমন্ত্রীকে বলে উঠতে পারেননি রাজ্য নেতারা। তাঁদের কথায়, কেন্দ্রীয় বাহিনী যথাযথ সুরক্ষা না দিতে পারলে কোচবিহার বা পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জায়গাতেও কর্মীদের মার খেতে হবে। রাজ্য পুলিশের কথাতেই যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে তাহলে এবারও বুথে প্রহসন হবে।

এ ব্যাপারে শনিবার কলকাতার ঘটনার উদাহরণ টেনে আনছেন বিজেপি নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, শনিবার রাতে বিজেপির আরও কর্মীকে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের তুলে এনেছে। অথচ গণ্ডগোল এক তরফা হয়নি। তৃণমূলের কর্মীরাও মারধর করেছে। তাঁদের গ্রেফতার করা হয়নি। বিজেপি কর্মীদের জামিনের ব্যবস্থা করতে রবিবার সকাল থেকেই ছুটোছুটি শুরু করেছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা তাপস রায়।

বিজেপির রাজ্য নেতাদের দাবি, এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও প্রো-অ্যাকটিভ রোল নিতে হবে। রবিবার বিকেলে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হবে। তার আগে রাজ্য বিজেপির এক প্রবীণ নেতা বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যেই বোঝা যাবে, কমিশন গোটা পরিস্থিতি ঠিকমতো সামলাতে পারছে কিনা। ভোটে হিংসা ঠেকাতে না পারলে, বা বুথে নিরাপত্তা দিতে না পারলে ভোটের ভবিষ্যৎ ভগবানের হাতে।


```