রাজ্য সরকার, এসএসসি নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। পরীক্ষার নিয়মেও বদল আনা হয়। এই বদল ইস্যুতেই চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 8 July 2025 12:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসএসসি (SSC) নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ফের জটিলতা। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের (Calcutta High Court) নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ মামলাকারীরা। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য (Justice Sougata Bhattacharya) যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তারই বিরোধিতা করা হয়েছে।
২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার এবং এসএসসি। তবে সেই চাকরি বাতিল করে নতুন করে নিয়োগের কথা বলেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার, এসএসসি নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। পরীক্ষার নিয়মেও বদল আনা হয়। এই বদল ইস্যুতেই চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে।
সেই মামলাতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য সোমবার নির্দেশ দেন, এসএসসি-র (SSC New Notification) নতুন বিজ্ঞপ্তি মেনে চলবে নিয়োগ, তবে যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে বা যাঁদের নাম চাকরি বাতিল হওয়া তালিকায় রয়েছে, তাঁদের আবেদন বাতিল করতে হবে। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme court) নির্দেশ মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
সোমবারের সেই নির্দেশের পরই মঙ্গলবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন মামলাকারীরা। অতিরিক্ত ১০ নম্বর বিন্যাস থেকে শুরু করে আরও একাধিক বিষয়ের আর্জি যা বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য খারিজ করে দেন, তার বিরোধিতা করা হয়েছে।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যারা ইতিমধ্যেই চিহ্নিত অযোগ্য তারা যাতে পরীক্ষায় বসতে না পারে সে বিষয়ে এসএসসি-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আরও একাধিক বিষয় রয়েছে যা স্কুল সার্ভিস কমিশন তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। সেগুলিই মূলত চ্যালেঞ্জ করেছে মামলাকারীরা।
বিচারপতির স্পষ্ট বক্তব্য ছিল — যাঁরা ইতিমধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত, অথবা যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে আদালতের নির্দেশে, তাঁরা এই প্রক্রিয়ায় আবেদন করলেও তাঁদের আবেদনপত্র বাতিল করতে হবে। এই প্রসঙ্গে আদালত জানায়, ‘‘দাগি অযোগ্যদের কোনও ভাবেই ফের সুযোগ দেওয়া যায় না।’’
এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কী রয়েছে?
নতুন বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকতার পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং ক্লাস নেওয়ার দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে ৬০ নম্বরের। আগে এটি ছিল ৫৫ নম্বরের। শিক্ষাগত যোগ্যতার উপরে থাকবে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর। আগে এটি ছিল ৩৫ নম্বর। শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার ওপর দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর।