দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডায়মন্ডহারবারে যাওয়ার পথে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেছে বিজেপি। কলকাতাতেও জায়গায় জায়গায় হয়েছে অবরোধ। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। জ্বলেছে টায়ার। পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশকে।
এদিন নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রতিবাদে বিকেল ৪টে থেকে ৬টা পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব। তার আগে এই ঘটনা জানাতে রাজভবনে যান বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা। তারপরে বিক্ষোভে অংশও নেন তাঁরা।
বিকেলবেলা ডোরিনা ক্রসিংয়ে বিক্ষোভ করে বিজেপি। এই বিক্ষোভে হাজির ছিলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় ও নেতা সায়ন্তন বসু। অন্যদিকে সেখান থেকে কিছুটা দূরেই এসপ্ল্যানেডেও বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। সেই বিক্ষোভে বিজেপির আরও দুই সাংসদ অর্জুন সিং ও সৌমিত্র খাঁ উপস্থিত ছিলেন। শহরের ব্যস্ত দুই জায়গায় এভাবে অবরোধের ফলে বেশ খানিকক্ষণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
অন্যদিকে ভিআইপি রোড অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। সেখানে রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে চলে বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভের জেরে সেখানে বেশ অনেকক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে নামতে হয় পুলিশকে। বেশ কিছুক্ষণ পরে শান্ত হয় পরিস্থিতি।
শুধু কলকাতা নয়, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, বর্ধমান-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলা ও উত্তরবঙ্গেও বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতা-কর্মীরা।
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির কনভয়ে হামলার প্রতিবাদে টুইট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি টুইট করে বলেন, “নাড্ডাজির কনভয়ে হামলার ঘটনা নিন্দনীয়। কেন্দ্র এই হামলার ঘটনাকে গুরুত্ত্ব দিয়ে বিচার করছে। এই হামলার জবাব বাংলার মানুষকে দিতে হবে। তৃণমূলের শাসনে বাংলায় অরাজকতা ও অন্ধকার যুগ চলছে। রাজনৈতিক হিংসা তার চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। যাঁরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন তাঁদের কাছে এটা দুঃখের ও চিন্তার বিষয়।”