দেহব্যবসায় জোর এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে হাওড়ার ডোমজুড়ের বাসিন্দা শ্বেতা খান এবং তার ছেলে আরিয়ানের বিরুদ্ধে।

শ্বেতা খান এবং আরিয়ান খান
শেষ আপডেট: 11 June 2025 15:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাওড়ার পর্নকাণ্ড নিয়ে এবার সরব হল জাতীয় মহিলা কমিশন (NCW)। রাজ্য পুলিশের ডিজি (DGP) রাজীব কুমারকে (Rajeev Kumar) চিঠি দেওয়া হয়েছে তাদের তরফে। ঘটনায় কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে বিস্তারিতভাবে তা জানিয়ে আগামী ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে পুলিশকে।
দেহব্যবসায় জোর এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে হাওড়ার ডোমজুড়ের বাসিন্দা শ্বেতা খান (Sweta Khan) এবং তার ছেলে আরিয়ানের (Aryan Khan) বিরুদ্ধে। বিগত কয়েকদিন ধরে দুজনেই পলাতক ছিল। বুধবার আরিয়ান পুলিশের জালে ধরা পড়লেও এখনও ফেরার শ্বেতা। রাজ্য পুলিশকে চিঠি দিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশন বলেছে, সব অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে দ্রুত। মা-ছেলে ছাড়া যদি আরও কেউ জড়িয়ে থাকে তাকেও রেয়াত করা যাবে না।
সোদপুরের এক তরুণীকে ডোমজুড়ের বাড়িতে দীর্ঘদিন আটকে রেখে নির্যাতন (Sodepur Woman Assault) করার অভিযোগ উঠেছে শ্বেতা-আরিয়ানের বিরুদ্ধে। তাঁর পরিবারের এও দাবি, জোর করে পর্ন ভিডিও বানাতে জোর করা হয়েছে মেয়েকে। বাধা দেওয়ায় চুলের মুঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। পেটানো হয় লোহার রড দিয়েও। ইতিমধ্যে শ্বেতার ফ্ল্যাটের পিছন থেকে চুল উদ্ধার করেছে পুলিশ। তা নির্যাতিতার বলেই মনে করা হচ্ছে।
জাতীয় মহিলা কমিশনের এও দাবি, নির্যাতিতার বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং মানসিক কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্য পুলিশকে। প্রসঙ্গত, মেয়েটির শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি ঘটছে বলেই জানা গেছে। তরুণীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয় সাগর দত্ত হাসপাতালে। বর্তমানে অবস্থা আরও সংকটজনক হওয়ায় তাকে সিসিইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
বুধবারই টালিগঞ্জের গলফ গ্রিন এলাকা থেকে আরিয়ানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে জয়া নামের এক মহিলাকেও। পুলিশ সূত্রে খবর, মা এবং ছেলে মিলে একটি ভুয়ো ইভেন্ট সংস্থা চালাতেন। সেখানেই চাকরি দেওয়ার নামে ফাঁসানো হত তরুণীদের। এখন মায়ের খোঁজে তল্লাশি জারি রেখেছে পুলিশ।