দুবরাজপুর শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাছারিপাড়ায় বাড়ি নরেন্দ্র মোদীর। কয়েক পুরুষ ধরে এই বঙ্গে বাস পেশায় ব্যবসায়ী নরেন্দ্রর। তবে এতদিন বেশ চুপচাপ নিজের মতোই ছিলেন। ব্যবসা-সংসার সব নিয়ে কাটত দিন। এই প্রথম বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের নজরে আসায় হইচই পড়ল।

শেষ আপডেট: 29 October 2025 13:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: এতদিন তো আহমেদাবাদের নিশান হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে ভোট দিতে যেতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এবার দুবরাজপুরে ভোট দিতে দেখা যাবে নরেন্দ্র মোদীকে! কী শুনে চমকে যাচ্ছেন? শুধু আপনি নন, দুবরাজপুরে ভোটার তালিকায় নরেন্দ্র মোদীর নাম রয়েছে শুনে অনেকেই চমকে যাচ্ছেন। আসলে রাজস্থানের বাসিন্দা এই নরেন্দ্র মোদী যে এখন দুবরাজপুরের বাসিন্দা।
দুবরাজপুর শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাছারিপাড়ায় বাড়ি নরেন্দ্র মোদীর। কয়েক পুরুষ ধরে এই বঙ্গে বাস পেশায় ব্যবসায়ী নরেন্দ্রর। তবে এতদিন বেশ চুপচাপ নিজের মতোই ছিলেন। ব্যবসা-সংসার সব নিয়ে কাটত দিন। এই প্রথম বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের নজরে আসায় হইচই পড়ল। দুবরাজপুরের এই নরেন্দ্র মোদী জানান, তাঁরা এক ভাই ও তিন বোন। তাঁর বড় দিদির নাম আবার মমতা। "তবে বন্দ্যোপাধ্য়ায় নন" হেসে ফেলেন নরেন্দ্র।
জানা গেল, রাজস্থান থেকে নরেন্দ্র মোদীর পূর্বপুরুষরা চলে এসেছিলেন এখানে। তারপর থেকে দুবরাজপুর শহরের পাকাপাকি বাসিন্দা। বাংলাটাও বলেন বেশ। বহুদিন ধরেই ভোট দিচ্ছেন দুবরাজপুরের শিশু বিদ্যাপীঠ স্কুলের বুথে। এতদিন তেমন করে সামনে আসেননি। কারণ এলাকায় মুন্না নামেই তাঁর পরিচিতি। বাসিন্দারা তো বটেই, স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও মুন্না নামেই ডাকেন তাঁকে। কিন্তু কখনও সখনও তো বলতেই হয় নিজের শুভনাম। তখন!
"এই যেমন ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম আসানসোলে। নাম বলতেই সবাই বলে উঠলেন ওরে বাবা! নরেন্দ্র মোদী চলে এসেছে। আমার নাম শুনলে সবাই চমকে যায়। সবাইকে বলি, আমি প্রধানমন্ত্রী নই। একেবারে সাধারণ মানুষ।" হা হা করে হেসে ওঠেন দুবরাজপুরের নরেন্দ্র মোদী।