অভিযোগকারিণীর দাবি, ২০২৩ সালের ২৩ মে তিনি সুব্রতের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু কিছুদিন পর জানতে পারেন, সুব্রতের প্রথম পক্ষের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। এরপর থেকেই সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়।

সুব্রত সরকার
শেষ আপডেট: 30 June 2025 21:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কসবা ল কলেজে (Kasba Law College) গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। মূল অভিযুক্তরা শাসক দলের নেতা হওয়ায় রাজনৈতিক তরজা আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে ফের নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠল আরও এক তৃণমূল নেতার (TMC Leader) বিরুদ্ধে। শান্তিপুরের (Shantipur) এই ঘটনা এখন সংবাদ শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে।
নদিয়ার শাসকদলের নেতা সুব্রত সরকারের (Subrata Sarkar) বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের (Woman Assault) গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এক তরুণী থানায় অভিযোগ দায়ের করে দাবি করেছেন, শান্তিপুর ব্লক 'এ'-র সভাপতি সুব্রত সরকার প্রথম বিয়ে গোপন রেখে তাঁকে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন, পরে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন শুরু করেন। এমনকী তাঁকে অ্যাসিড মারার ও ট্রাকের নিচে ফেলে খুন করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
অভিযোগকারিণীর দাবি, ২০২৩ সালের ২৩ মে তিনি সুব্রতের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু কিছুদিন পর জানতে পারেন, সুব্রতের প্রথম পক্ষের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। এরপর থেকেই সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। তরুণীর অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির সদস্যরাও তাঁকে নানা ভাবে ভয় দেখাতে শুরু করেন।
একথা জানাজানি হওয়ার পরে, সুব্রত নাকি তৃতীয় সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলায় অত্যাচার আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগ। মহিলা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন এবং সুব্রতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।
অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সুব্রত সরকার। তাঁর বক্তব্য, "আমাকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। সব অভিযোগই মিথ্যে।" এই প্রসঙ্গে শান্তিপুরের তৃণমূল নেতৃত্ব বলছে, "সুব্রত দলের সক্রিয় নেতা হলেও, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ একান্তই ব্যক্তিগত। দল সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করবে না।"