বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সিইও দফতর বাংলায় এসআইআর নিয়ে স্পষ্টত আভাস না দিলেও জানিয়েছে, তারা যে কোনও কিছুর জন্য প্রস্তুত।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 8 August 2025 22:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটার তালিকার ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (SIR) নিয়ে এবার সরাসরি বিরোধে রাজ্য সরকার (State Govt) ও জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। শুক্রবার নবান্নের (Nabanna) তরফে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্যে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসে (CEO Office)।
রাজ্যের পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে - একাধিক সংবাদমাধ্যম এবং সংবাদপত্র খবর করেছে, রাজ্যের সিইও অফিসের থেকে নাকি জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে বলা হয়েছে যে, রাজ্য সরকার এসআইআর-এর জন্য প্রস্তুত। কিন্তু এই বিষয়ে রাজ্য সরকারকে না আগে জানান হয়েছে, না আলোচনা করা হয়েছে। নবান্নর তরফে সিইও অফিসকে বিষয়টি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার কথা জানান হয়েছে।
বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সিইও দফতর বাংলায় এসআইআর নিয়ে স্পষ্টত আভাস না দিলেও জানিয়েছে, তারা যে কোনও কিছুর জন্য প্রস্তুত। এবার এই ইস্যুতে সরাসরি রাজ্য সরকার চিঠি দিল সিইও অফিসকে।

সূত্রের খবর, নবান্ন চিঠির পাল্টা চিঠি দিয়েছে সিইও অফিসও। নবান্নকে তারা লিখেছে, বিহারের এসআইআর-এর সময়ে প্যারা ১০-এ সব রাজ্যে এসআইআর হবে উল্লেখ করে তার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল। তাই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, “এ সব বিজেপির নাটক। রাহুল গান্ধী ভোট চুরির তথ্য দিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের আগে তার জবাব দেওয়া উচিত।” লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বাকি সাংসদরা শুক্রবারই সংসদের বাইরে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখিয়েছেন এই ইস্যুতে।
কলকাতায় ফিরে এসে অভিষেক এও বলেন, 'বাংলার একটা নাম বাদ গেলে লক্ষ মানুষকে নিয়ে কমিশনের অফিস ঘেরাও করব।' এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও তীব্র প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, “এই এসআইআর আসলে স্যার! বিজেপি নেতাদের কথা মতো চলা। কমিশনের একাংশ সেটাই করছে। এই কারচুপি আমরা বরদাস্ত করব না।"